Bangla News Dunia, বাপ্পাদিত্য:- গ্রীষ্মের দাবদাহে ঠান্ডা ঠান্ডা তরমুজ খাওয়ার আনন্দই আলাদা। কিন্তু সমস্যা হলো, বাজারে এখন ভেজাল ও কেমিক্যাল মেশানো নকল তর মুজের ছড়াছড়ি। চোখে দেখা যায় না তবুও এই ভেজাল ফল শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। তাই এই সুস্বাদু ফল কেনার আগে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখলেই আপনি আসল জিনিস চিনে নিতে পারবেন। আর টাকা দিয়ে জিনিস কিনে না ঠকতে চাইলে শেষ পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে থাকুন।
তরমুজ চেনার দারুণ উপায়
বাইরের রং দেখে অনেক কিছু বোঝা যায়। লক্ষ রাখুন – আসল তরমুজ সাধারণত হালকা সবুজ বা গাঢ় সবুজ হয় এবং তাতে প্রাকৃতিক দাগ থাকে, অতিরিক্ত চকচকে বা অস্বাভাবিক উজ্জ্বল রঙের তরমুজ এড়িয়ে চলুন, কারণ তাতে কেমিক্যাল মেশানো থাকতে পারে, যদি একপাশে হলদেটে দাগ থাকে, বুঝবেন এটি প্রাকৃতিকভাবে পাকা এটাই ভালো লক্ষণ। তাহলে টাকা খরচ করা সার্থক হবে।
চাপ দিয়ে দেখুন – বেশি নরম নয় তো? হালকা করে চাপ দিন, যদি খুব বেশি নরম মনে হয় বা আঙুল বসে যায়, তাহলে বুঝতে হবে ফরমালিন বা কেমিক্যাল মেশানো হয়েছে, আসল জিনিস হবে শক্ত ও ভারী, খোসায় নখ দিয়ে হালকা আচড় কাটুন, যদি ঘ্রাণে তাজা ফলের গন্ধ পাওয়া যায়, তাহলে এটি প্রাকৃতিক, কেমিক্যাল মেশানো তরমুজে কোনো প্রাকৃতিক গন্ধ থাকবে না।
টোকা দিলে “ঠক ঠক” আওয়াজ হবে মানে এটি কাঁচা, যদি “পট পট” বা “ভরা” ধরনের শব্দ হয়, তাহলে এটি পাকাপাকি ও রসালো, অনেকেই ভাবেন বেশি লাল তরমুজ মানেই ভালো। কিন্তু এটা ভুল ধারণা, অত্যধিক লালচে বা ঝকঝকে লাল রঙের তরমুজে মাঝে মাঝে কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়, প্রাকৃতিক সাধারণত গা ছমছমে লাল হয়, বেশি উজ্জ্বল নয়। আগের থেকে জেনে নিলে সমস্যাই হয় না।
কাটার পর বীজ দেখে আসল নকল চেনা যায়, প্রাকৃতিক তরমুজের বীজ হবে কালো বা গাঢ় বাদামি রঙের, যদি বীজ সাদা বা অস্বাভাবিক রঙের হয়, তাহলে বুঝতে হবে সেটি ভেজাল, খাওয়ার পর যদি জ্বালা, ঝাজ বা কোনো রকম তিক্ততা অনুভব করেন, তাহলে বুঝবেন এটি কেমিক্যাল যুক্ত, স্বাভাবিক ফল খেলে ঠান্ডা ও মিষ্টি স্বাদ থাকবে, যা শরীরকে স্বস্তি দেবে। কিন্তু চেষ্টা করবেন যে কোন ভাবেই যেন ঠকে না যান এই যুগে!
আরও পড়ুন:-প্রতিমাসে পাবেন ৯৩৭৫ টাকা! LIC-এর নতুন স্কিম দিচ্ছে দারুণ সুযোগ । বিস্তারিত জেনে নিন













