পশ্চিমবঙ্গে চালু হলো সিনিয়র সিটিজেনশিপ কার্ড ! নাগরিকত্ব থেকে শুরু করে পাবেন অনেক সরকারি সুযোগ-সুবিধা

By Bangla News Dunia Desk - Pallab

Published on:

ভারতবর্ষের সাড়া সমস্ত লোকদের বিভিন্ন সিটিজেনশিপদের জন্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়। এই অন্যান্য তাল ভারত দেশের সঙ্গে ভোটের জন্য স্থানীয় জনশিপ করা। এর মাধ্যমে তথ্য সুযোগ-সুবিধা এবং বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। বাড়ার সঙ্গে যুক্ত ক্ষমতা, স্বাস্থ্যসেবা বা নেটওয়ার্ক কাজ কর্মে প্রবীণদের (সিনিয়র সিটিজেন) বাধার জন্য, বিশেষ করে দেখা যায় ভারতবর্ষে সমস্ত যোগ করার জন্য—বালাই লাইন, বারবার নথি, অফিসে সরকারি বেড়ানো, ভিট্টায় ঠেঠেলে কাজ করাই মনেই পড়ে কম—সব জোরে জোরে ঝক্কি নয়। তবে এলো এক পরিবর্তন। এই বাস্তবতা বদলাতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ‘সিনিয়র জেন কার্ড’ করেছে। এর ফলে উপকৃত হবে প্রায় লক্ষ মানুষ। এই স্বাধীনতাপত্র বানালে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভারতে পাওয়া যাবে, যার মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরিবহণ, ব্যাংকিং, কর-সুবিধা, সামাজিক সামাজিক ব্যবস্থা — সব ক্ষেত্রেই প্রবীণ অগ্রগতি ও বিশেষ সুবিধা। পাবেন। এর পরে ভারত সরকার পঙ্কিম পংগ উদ্দেশ্য একটাই: সম্মানজনক, পাঠক এবং স্বনির্ভর জীবন নিশ্চিত করা। এই উদ্যোগ সকলের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা। তাই আপনি যদি পশ্চিমবঙ্গের একজন নাগরিক হয়ে থাকেন তাহলে আপনি আপনার কাছে জানতে চান।

যোগ্যতা (যোগ্যতা): আবেদন করতে পারবেন

  • স্থায়ী বাসিন্দা : এখানে আবেদন করতে হলে একজন ভারতবাসী হতে হবে এবং আবেদনকারী পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হতে হবে।
  • পুরানো সীমা : এখানে আবেদন জানাতে আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ন্যূনতম ৬০ বছর (যার বেশি হলে বিশেষ অগ্রগতি)।
  • বিশেষ অগ্রগতি : শারীরিকভাবে অনুরোধ/নির্ভরশীল প্রবীণা প্রয়োজন অনুযায়ী অগ্র অগ্রাধিকার পেতে পারেন। তবে গত ৬০ বছরের বেশি পুরনো হলেই অগ্রাধিকার পাবেন।

এখানে আবেদন করতে আপনি সব নথি (নথি)

এখানে আবেদন করতে হলে আপনার কাছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমাস হবে। আবেদনের সময় সাধারণ যে নথিগুলি চাওয়া হয়—

  • জন্মতারিখের অংশ : এখানে আবেদন করার জন্য তৈরি হবে জন্মসনদ/মত্রিকুলেশন সার্টিফিকেট/বৈধ শুরু নথি যেটি আপনি অবশ্যই প্রস্তুত করবেন।
  • ঠিকানার প্রতিনিধি আপনার কাছে স্থায়ীর প্রতিনিধি হিসাবে অবশ্যই ভোটার কার্ড/রেশন কার্ড/ইউৎ বিল ইতপূর্ব একটি তথ্য তথ্যপত্র হবে।
  • ফটোডি : আইডেন্টিফিকেশন ব্যবহারের জন্য আপনার অবশ্যই ভোটার আইডি/আধার/প্যান (পরিচ নীলের জন্য) হবে।
  • পাসপোর্ট সাইজ ছবি : পাসপোর্ট সাইজের ছবি প্রয়োজন।
  • স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত নথি (যদি প্রয়োজন হয়): দীর্ঘমেয়াদি অনুরোধ বা প্রতিবন্ধকতার/সার্টিফিকেট যদি থাকে তাহলে আর যদি না থাকে তাহলে কোন চিন্তা নেই সকলকেই আবেদন করতে পারবেন।

তবে বিশেষভাবে মনে রাখুন আপনি যে সমস্ত ডকুমেন্ট জমা দেন তার নথির স্ব-প্রত্যয়িত ফটোক জমা দিতে, সঙ্গে অরিজিনাল নম্বর যোগ করুন। গভীর আপনি আপনার সমস্ত তথ্য ভালোভাবে বিশেষভাবে ভুলভাবে নেবেন যাতে কোন ভুলত্রুটি না থাকে।

সরকার সিটিজেন সরকার ২০২৫ হল রাজ্য-স্বীকৃত ক্ষমতাপত্র, যা দেখালে প্রতীক দপ্তর/প্রতিষ্ঠান ক্ষমতা নেবে—আপনি প্রবীণ নাগরিক এবং অধিকারভুক্ত। এর ফলে কাজ করার জন্য আপনার সুবিধা হবে এবং খুব সহজেই আপনি সমস্ত সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

স্বাস্থ্যসেবা: দ্রুত, ও অগ্রগতি

প্রবীণদের স্বাস্থ্য সেবা থেকে শুরু করে সমস্ত ক্ষেত্রে বিশেষভাবে দেওয়া হবে এছাড়াও যারা এই কার্ড বানাবেন তারা আরও যে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা পাবেন —

  • ব্যপক ব্যবসা/হেলথ কেন্দ্রে প্রায়োরিটি —রেজিস্ট্রেশন, ওপিডি, ডায়াগনস্টিক প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি দেওয়া হবে এর ফলে খুব দ্রুত রাজনীতির সাথে যোগাযোগ করা যাবে।
  • বিনামূল্যে/রেয়াতে এগিয়ে যেতে- আপনাকে পাওয়া যাবে যেখানে আছে, চেবার নিয়ম অনুযায়ী সুবিধা খুঁজতে খুঁজতে এই ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
  • জরুরি চিকিৎসায় অগ্রগতি — এই কার্ড থাকলে আপনার চিকিৎসা পরীক্ষা করা হবে এবং দ্রুত আপনি ব্যবস্থা পাবেন।
  • আপেক্ষনে আংশিক  বিচ্ছিন্ন করে আপনি বারবার যে সমস্ত পরিস্থিতির প্রয়োজন হবে তার উপর আপনি অনেক অংশে পাবেন।
  • অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা বিশেষ সুবিধা — এই কার্ড থাকলে আপনি বিশেষ সময়ে অ্যাম্বুলেন্সের সুবিধা পাবেন এবং খুব দ্রুত পাবেন।
  • এছাড়াও বিভিন্ন প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করতে হবে যেখানে শুধুমাত্র কোভিদ নাগরিকরা খুব দ্রুত সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

পরিবহণ:চরে সহজতা, খরচে স্বস্তি

যাতায়াতের মূল্য ও ভিড়—দুই প্রবীণদের শব্দ। কার্ডের মাধ্যমে—

নাগরিকদের বিশেষ সুযোগ দেওয়া হবে এবং নাগরিকদের জন্য প্ররোচনা করা হবে সিট সংরক্ষণ করা রেলওয়ে রেলওয়ে ভ্রমণকবীন নাগরিকদের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। অনেক অংশে প্রবীণ নাগরিকদের যাতায়াতের ভাড়া ফ্রি করা হবে।

এছাড়াও প্রবীণ নাগরিকদের আরো বিশেষ ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে বিশেষ করে টাকা রাখলে বা ফিক্স ডিপোজিট বা পোস্ট অফিসে টাকা রাখলে সেখানে বলাকে সুদ দেওয়া হবে সাধারণ। নাগরিকদের অনেকাংশে বেশি। এছাড়াও প্রবীণ নাগরিকদের ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

বড় প্রকল্পে অগ্রাধিকার: এক কাজের সুবিধা

সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে রাজ্য-নির্দেশিত বিভিন্ন প্রকল্পে কর্মধারীরা অগ্রাধিকার পেতে পারেন—

  • স্বাস্থ্য -সহ বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত দ্রুত সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা ব্যবস্থা পাওয়া যাবে।
  • বার্ধক্য ভাতা (বৃদ্ধ পেনশন) সহজে পাওয়া যাবে—অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেকের ৬০ বছর পার হয়ে যাওয়ার পরেও বৃদ্ধ ভাতা পায়। এই কাজ থাকলে আর কোন সমস্যা না হলে এর ফলে সাহায্য করতে হবে।
  • কৃষক বন্ধু /বিধবা ভাতা/প্রতিবন্ধী ভাতা — প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে সমস্ত ধরনের দ্রুত সুযোগ-সুবিধা অগ্রসর করা হবে।
  • বৃদ্ধাশ্রম/ডেকেয়ার কেন্দ্র — এই কার্ডের পরবর্তীকালে এই ধরনের সুযোগ খুব বেশি পাওয়া যাবে।

জনগণ ফাংশন থেকে সকলকে এই কার্ড দেওয়া হবে।

Bangla News Dunia Desk - Pallab

মন্তব্য করুন