পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটের আবহে আবারও চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’। সম্প্রতি Lakshmir Bhandar প্রকল্পে ভাতার অঙ্ক বাড়িয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। ফলে উপভোক্তাদের মাসিক প্রাপ্য টাকায় বড় পরিবর্তন এসেছে।
📌 লক্ষ্মীর ভান্ডারে এখন কত টাকা মিলছে?
- তপশিলি জাতি (SC) ও তপশিলি উপজাতি (ST) মহিলারা: ₹১৭০০ প্রতি মাসে
- সাধারণ (General) শ্রেণির মহিলারা: ₹১৫০০ প্রতি মাসে
নতুন আবেদনকারীদের ক্ষেত্রেও টাকা ছাড়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে অনেকেই অভিযোগ করছেন—আবেদন করেও টাকা ঢুকছে না অ্যাকাউন্টে। কেন এমন হচ্ছে?
⚠️ লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা আটকে যাওয়ার প্রধান কারণ
বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ছোটখাটো ভুলের কারণেই সমস্যা তৈরি হচ্ছে।
১. নামের বানান ভুল
আবেদনপত্রে দেওয়া নাম যদি আধার বা অন্যান্য নথির সঙ্গে না মেলে, তাহলে আবেদন স্থগিত বা বাতিল হতে পারে। একইভাবে বাবা/স্বামীর নামের বানানেও অমিল থাকলে জটিলতা তৈরি হয়।
২. ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত ত্রুটি
- আবেদনকারীর নিজস্ব (Single) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাধ্যতামূলক
- জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হয় না
- অ্যাকাউন্ট নম্বর বা IFSC কোড ভুল হলে আবেদন আটকে যেতে পারে
৩️. আধার–মোবাইল লিঙ্ক না থাকা
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার ও মোবাইল নম্বর লিঙ্ক থাকা জরুরি। সংযোগ না থাকলে DBT ব্যর্থ হতে পারে। পাশাপাশি আধার–প্যান সংযোগও করে রাখা ভালো।
🔎 কীভাবে লক্ষ্মীর ভান্ডারের স্ট্যাটাস চেক করবেন?
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আবেদনের বর্তমান অবস্থা জানতে অফিসিয়াল পোর্টালে গিয়ে—
- Application ID
- মোবাইল নম্বর
- আধার নম্বর
- স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নম্বর
এর মধ্যে যেকোনও একটি দিয়ে লগইন করলেই স্ট্যাটাস দেখা যাবে।
যদি “Validation Error” দেখায়, তাহলে বুঝতে হবে আবেদনপত্রে ত্রুটি রয়েছে। সেক্ষেত্রে যেখানে আবেদন জমা করেছিলেন, সেখানে যোগাযোগ করে দ্রুত সংশোধন করানো প্রয়োজন।
আরও পড়ুনঃ যুবসাথীর ভাতা পেতে ডাউনলোড করুন এই অ্যাপ? জানুন সঠিক পদ্ধতি
🎯 যাদের টাকা ঢোকেনি তারা এখন কী করবে?
যাঁরা এখনও টাকা পাননি, তাঁরা আগে নিজের নথি ও ব্যাঙ্ক তথ্য মিলিয়ে নিন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ছোট ভুলই বড় সমস্যার কারণ হচ্ছে। সঠিক তথ্য থাকলে ভাতার টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে পৌঁছতে আর দেরি হবে না।
Lakshmir Bhandar: Status Check Online














