পহেলগামে জঙ্গি যুদ্ধের পর পর পর পর তরফের ওপর নিয়ন্ত্রণ সিঁদুর ( অপারেশন সিন্দুর) তৈরি হয়েছিল। নুর খান বায়ুসেনা ঘাঁটি (নূর খান বিমান বাহিনী ঘাঁটি) । মনের গভীরে নুর খান ঘাঁটি পুননির্ধারণ করে কাজ শুরু করেন। সাম্প্রতিক ম্যাক্সের উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে এমনটি দেখাও।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে মাত্র ২৫ চেষ্টাই রয়েছে বায়ুসেনা ঘাঁটি। পাকিস্তানের কাছে এই ঘাঁটির যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। ১০ মে ঘাঁতির নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা দু’টি ট্রাক লক্ষ্য করে আক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধ করে একটি আঘাত।
ফাটক দু’টিক এবং বিষটি অংশটির ব্যাধিকে বলা হয় ট্রান্সফার করা। কিন্তু পথের তরফেই
কিন্তু উপগ্রহ চিত্র দেখা বন্ধু, ১০ মে নুর খান ঘাঁ সংকেত ছিল দু’টি ট্রাক। পর পর দুই ট্র্যাক মনে হয়েছে। পাশপাশি স্বাধীনতা হয়েছে তার আশপাশের ভবনগুলি।
২২ এপ্রিল পহেলগামে ( পহেলগাম) জঙ্গি যুদ্ধা হারিয়ে ২৬ জন মানুষ। দক্ষিণ পাকিস্তানের জঙ্গি সন্ত্রাসী যুদ্ধের প্রমান পাওয়া। সাত মেরে জঙ্গি ঘাঁটি চটি করতে সিঁদুর বিরুদ্ধে শুরু করে। যুদ্ধও পালাটা যুদ্ধের চেষ্টা করে তা করতে পারে। সংখ্যার অংশের অংশীদারি ঘাঁ শাসন করে ভারত। তার মধ্যে একটি এই নুর খান ঘাঁটি।













