কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে আজ, ২রা সেপ্টেম্বর, ৩২,০০০ অপ্রশিক্ষিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্ম বাতিলের প্রশ্ন শুনানি হতে পারে। এই সংখ্যাটি (MAT নম্বর ৮৭৩/২০২৩) দেশের কয়েক হাজার শিক্ষকের ভবিষ্যৎ বসবে, এবং তাই আমাদের নজর এখন আদালতের দিকে।
রাজনীতির বর্তমান অবস্থা
এই গুরুত্বপূর্ণ কোডটি শুনানি হবে কলকাতার হাইকোর্টের ১১ নম্বর পাসে মানতীয় গুরুত্বপূর্ণ তপব্রত চক্রবর্তী এবং ঋতব্র কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চে। প্রশ্নটি আমার পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ, এবং রেসপনডেন্ট হিসাবে প্রিয়াঙ্কা নস্কর।
প্রাথমিকভাবে এই আলোচনার ফাইলের সাথে ১০০টি “CAN” যুক্ত ছিল, যা বর্তমানে ১০৯-এ বার হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাপক ফাইলই এখনও গৃহীত অপেক্ষা করছে। এই বিপুল উৎসের আবেদনটা করে যেটা, কতটি এবং কত গভীর মানুষের জীবন এর সাথে।
শুনানির সময়সূচী ও মিডিয়া যুক্তি
আজ দুপুর ২টো পর, লাঞ্চের বিকল্পির পথ, এই কথার শুনানি শুরুর কথা। ১১ নম্বর ভোটের কজ লিস্টে ৫৩ নম্বরে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর সাথে আরও নম্বর MAT নম্বর, ৫৪ থেকে ৯৬ পর্যন্ত, যুক্ত রয়েছে এবং সে ব্যবস্থাও শুনানি হবে।
যুক্তর্কের ক্ষেত্রে, শক্তিদের পার্টির আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব শেষ পর্যন্ত। মূল প্রশ্নকর্তাদের আইনজীবীদের যুক্তি পেশ শুরু হয়েছে, যেখানে আইনজীবী তরুণ জ্যোতি তার চূড়ান্ত শেষ করেছেন। আজ কুমার জ্যোতি তার পেশ করবেন। চাই, বঞ্চিত কর্মপ্রার্থীদের ব্যবহার সৌম্য মজুমদার এবং সময় থাকলে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য তাদের সওয়াল পেশ করবেন।
গুরুত্ব ও প্রভাব
এই চট্টগ্রামের রায় দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উপর একটি বড় প্রভাব ফেলবে। চাকরিহারা শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা আজ শুনানির ওপর অনেক অংশে ন্যাসিশীল। পিটিশনার এবং রেসপেন্ট, দুই পার্টির উদাহরণ পেশ করার জন্য প্রস্তুত। এখন বিচারের বিষয়, কোন দিকে রায় দেয় এবং এই শিক্ষক ভাগ্যে কী লিখতে হবে।














