এআই-এর বই, বিষয় আপনি! রয়েছে আরও চমক, জানুন

By Bangla News Dunia Desk Bappaditya

Published on:

Bangla News Dunia, বাপ্পাদিত্য:- বই চাই, বই? নিজের বই? যদি লাগে বলবেন। কারণ এআই-এর এই দুনিয়ায় আপনার সম্পর্কে বই ছাপিয়ে ফেলাটা নেহাতই হাতের পাঁচ।

অবাক হলেন তো! বইও লিখে ফেলছে এআই, হ্যাঁ এটাই সত্যি। সারা বিশ্বে এমন অনেক কোম্পানি কাজ করছে যারা, কাস্টোমাইজ়ড বই ছাপছে। যে বইয়ের কভার হবে আপনার কোনও মুখের ছবি বা অন্য কোনও কাজের ছবি দিয়ে। বইয়ের শিরোনাম পড়লেও মনে হবে, এই শিরোনাম আপনার বই ছাড়া কোথাও হতেই পারত না। আর বইয়ের বিষয় বস্তু, পুরোটাই আপনি।

এই রকম বই আপনি নিজেও লিখতে পারেন। নিজের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য দিয়ে দিন। এআই নিজের মতো করে সাজিয়ে নেবে। বাজারে যে এআই টুলগুলি রয়েছে, সেই ওপেন সোর্সগুলি ব্যবহার করে সেই ব্যক্তিগত তথ্য উঠে আসবে বইয়ে।

সারা বিশ্বে বহু খ্যাতনামা সংস্থা এই কাজটি করছে। এই রকমই ইজ়রায়েলের একটি প্রথম সারির এআই তৈরির সংস্থার প্রধান, আদির মসিহা জানিয়েছেন, প্রায় দেড় লক্ষ এই রকমের এআই নির্মিত বই তাঁরা তৈরি করেছেন। এই রকমের বইয়ের সবচেয়ে কাটতি বেশি আমেরিকায়। সংস্থার নিজস্ব এআই টুল রয়েছে এই রকমের বই তৈরির জন্য। একটি ওপেন সোর্স এলএলএম অর্থাৎ লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ব্যবহার করে তাঁরা এই বইগুলি তৈরি করেন। যার গড় দাম দাঁড়ায় ২৬ পাউন্ড মতো।

আরও পড়ুন:- টানা ৫ দিনই দাম বেড়েছে, সামনের সপ্তাহে নজর রাখুন এই ৮ স্টকে

সেখানে যা খুশি ছাপিয়ে দেওয়াও যেতে পারে। খুব সহজ কথায় নিশ্চয়ই পারে। তবে যাতে কারও সম্মানহানি না হয় বা আইনগত সমস্যা না হয়, তার জন্য এই রকমের বইয়ের শুরুতেই একটি বিধিবদ্ধ সতর্কতা দেওয়া থাকে— এই বই এআই দিয়ে তৈরি। যার উদ্দেশ্য শুধুই মজা। যেখানে অন্য অর্থ খোঁজার কোনও কারণ নেই।

একই সঙ্গে ওই সংস্থা পরিষ্কার জানিয়েছে, এই বইয়ের কপিরাইট সম্পূর্ণ তাদের। এই বই অন্য কোনও ক্ষেত্রে বিক্রি করা হবে না।

তাতেও বিতর্কটা থামছে না। এআই-এর বহুল ব্যবহার নিয়ে সরব হচ্ছে সারা বিশ্ব। ওপেন সোর্সে থাকা কোনও কাজ, ছবি, ডকুমেন্ট দেদার টুকে দিচ্ছে এআই। শুধু তাই নয়, গলার স্বর পর্যন্ত নকল করে ফেলছে। সেখানে যদি কারও সম্পর্কে ওপেন সোর্সে থাকা তথ্যের ভিত্তিতে ২৪০ পাতার বই ছেপে যায়, সেটা তো খুবই মারাত্মক। যদিও সেটা মানতে চাইছে না, এই কাজ করা কোনও সংস্থাই। তাদের দাবি, এটা নিছকই মজা। এবং এটা পার্সোনাল কালেকশন ছাড়া আর কিছুই নয়।

এ ক্ষেত্রে আরও একটা মত উঠে আসছে। দুনিয়া যে ভাবে বদলাচ্ছে, তাতে এআই ছাড়া গতি নেই। তাই এই রকমের বিকল্প ক্রিয়েটিভিটি হোক, এমনটাই চাইছে অনেকেই। তবে তাঁদের একটাই কথা, বই হোক। কিন্তু বইটা করার অনুমতিও নিতে হবে।

এখানেই আটকে যাচ্ছে প্রসঙ্গটা। সংস্থাগুলো এর জবাবে বলছে, সে ক্ষেত্রে তো মজাটাই থাকবে না। আমি তোমার জন্য একটা বই বানাচ্ছি, এটা বলে দিলেই তো বইয়ের মজাটাই শেষ। আর এই বই তো ছাপা হচ্ছে একটা। বা দুটো। সেখানে এত বাধ্যবাধকতা কেন।

এখানেই মত দ্বিধা-বিভক্ত। টু বি, নাকি নট টু বি? বিচার করার সময়টা এসে গিয়েছে।

একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, এআই রোজ নিজের পরিধি বাড়াচ্ছে। সেটা আটকানোর সত্যিই কোনও উপায় নেই।

আরও পড়ুন:- লিভারের অসুখের ঝুঁকি কমাতে এই অভ্যাসগুলি থেকে দূরে থাকতে হবে

আরও পড়ুন:- বাংলা আবাস যোজনায় আরো ১ লক্ষ বাড়ি দিচ্ছে। আবাস যোজনা ঘরের লিস্ট ও ঘরের টাকা পেতে কি করবেন? জেনে নিন

Bangla News Dunia Desk Bappaditya

মন্তব্য করুন