Bangla News Dunia, অজয় দাস :- তৃণমুল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্তি মমতা ব্যানার্জী আগেই তৃণমুল নেতাদের সাবধান করেছেন যে তারা যেনো কাটমানি না নেন। কিন্তু তার কথা তৃণমুলের কোনো নেতা কানে তুলেছেন বলে মনে হয়না। কারণ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে একই অভিযোগ আসছে। কিছুদিন আগে করোনা কালে কেন্দ্র সরকার থেকে আশা চাল, ডাল ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে তৃণমুল নেতাদের দুর্নীতি সকলের সামনে এসেছে। যার জন্য স্বয়ং মুখ্যমন্তি মমতা ব্যানার্জী তৃণমুল নেতাদের সাবধান করেছেন।
কিন্তু বাস্তবে একই চিত্র দেখা গেলো আরো একবার। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর এলাকায়। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে ঘর পাইয়ে দেবার নাম করে কাটমানি খেতে চেয়েছিলো ওই তৃণমুল নেতা। অশোকনগর পৌর এলাকার বাসিন্দা শ্যামলী হালদার , যিনি হতো দরিদ্র। তিনি মানুষের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন।
আরো পড়ুন :- লাভ জিহাদ করলে ধ্বংস করে দেবো ! হুঁশিয়ারি শিবরাজ চৌহানের
সেখানকার তৃণমুল নেতা বাদল ব্যাপারী , শ্যামলী হালদারকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেবার আশ্বাস দেন। কিন্তু শ্যামলী হালদার জানেন এই ঘর পাবার জন্য কোনো টাকা লাগে না। সেই অনুযায়ী তিনি স্থানিও ক্লাবকে এই কথা জানান। ক্লাবের সদর্শরা শ্যামলী হালদারকে বলেন বাদল ব্যাপারীকে ফোন করে টাকা নিতে ডাকতে।
সেই অনুযায়ী শ্যামলী হালদার বাদল ব্যাপারীকে ডাকেন। আগে থেকেই ক্লাবের লোকজন ফাঁদ পেতে রাখেন। আর সেই ফাঁদে পাঁ দিয়ে বাদল ব্যাপারী , শ্যামলী হালদারের কাছে টাকা নিতে আসেন। আর তখনই সেখানকার লোকজন তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে।
এর পরেই ক্লাবের লোকজন বাদল ব্যাপারীকে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রেখে স্থানীয় থানায় খবর দেন। স্থানীয় থানার পুলিশ এসে বাদল ব্যাপারীকে গেপ্তার করে নিয়ে যান। এর আগেও বহুবার তার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ এসেছে বিভিন্ন জাগা থেকে। কিন্তু হাতেনাতে ধরতে পারেননি সেখানকার বাসিন্দারা। এবার হাতেনাতে ধরা পরে বাদল ব্যাপারী এখন শ্রীঘরে। তার বিরুদ্ধে শ্যামলী হালদার পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
আরো পড়ুন :- অনুব্রতর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন মমতার মন্ত্রী !