কলকাতা হাইকোর্টে গ্রুপ সি ও ডি চাকরিহারা কর্মীদের বিশেষ ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে দায়ের হওয়া মামলার শুনানি শেষ হলেও রায়দান স্থগিত রাখা হয়েছে। বিচারপতি অমৃতা সিনহা রাজ্য সরকারের এই ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন, যার ফলে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ এখন আদালতের গভীর পর্যবেক্ষণে। এই ভাতা প্রকল্প, যার নাম “পশ্চিমবঙ্গ জীবিকা ও সামাজিক সুরক্ষা অন্তর্বর্তীকালীন প্রকল্প, ২০২৫” (West Bengal Livelihood and Social Security Interim Scheme, 2025), তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন করে আইনি জটিলতা।
আরো পড়ুন : ২০২৬-এ বাংলা-তামিলনাড়ু দখল নেবো, হুঙ্কার অমিত শাহ-র
হাইকোর্টের শুনানি এবং বিচারপতির প্রশ্নমালা
সাম্প্রতিক শুনানিতে বিচারপতি সিনহা রাজ্য সরকারের আইনজীবীর কাছে একাধিক বিষয়ে স্পষ্ট উত্তর চেয়েছেন। আদালত মূলত জানতে চেয়েছে, কোন যুক্তিতে এবং কোন পদ্ধতিতে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
আদালতের তোলা প্রধান প্রশ্নগুলি হলো:
- ভাতার পরিমাণ নির্ধারণ: গ্রুপ সি কর্মীদের জন্য মাসিক ₹২৫,০০০ এবং গ্রুপ ডি কর্মীদের জন্য ₹২০,০০০ টাকা ভাতার পরিমাণ কিসের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হলো?
- সুবিধাভোগীর সংখ্যা: ঠিক কতজন চাকরিহারা কর্মী এই প্রকল্পের আওতায় আসতে চলেছেন?
- পূর্ববর্তী উদাহরণ: অতীতে এই ধরনের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কোনো নজির কি রয়েছে?
- বিকল্প কর্মসংস্থান: ভাতা প্রদানের পাশাপাশি রাজ্য কি এই কর্মীদের জন্য কোনো বিকল্প কাজের ব্যবস্থা করার কথা ভেবেছে? বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, “ওনারা কি বাড়িতে বসে টাকা পাবেন?”
- সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রভাব: সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন পর্যালোচনার রায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গেলে, এই ভাতা কি বন্ধ করা হবে, নাকি তা চলতেই থাকবে?
আরও পড়ুন : এসি টানা চালালেই ক্ষতি! কতক্ষণ চালানো সঠিক ?
আরও পড়ুন : জানা গেল কবে প্রকাশ হবে ক্লার্ক ও গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, অভিজ্ঞতার জন্য বিশেষ নম্বর













