Warning: exif_imagetype(https://banglanewsdunia.com/wp-content/uploads/2024/08/59918c3a-897f-4d2e-a44c-a2c516c47837.png): Failed to open stream: HTTP request failed! HTTP/1.1 404 Not Found in /home/u842153353/domains/banglanewsdunia.com/public_html/wp-includes/functions.php on line 3338

Warning: file_get_contents(https://banglanewsdunia.com/wp-content/uploads/2024/08/59918c3a-897f-4d2e-a44c-a2c516c47837.png): Failed to open stream: HTTP request failed! HTTP/1.1 404 Not Found in /home/u842153353/domains/banglanewsdunia.com/public_html/wp-includes/functions.php on line 3358

চার বছরের শিশুকে ‘ডিজিটাল ধর্ষণ’, গ্রেফতার অভিযুক্ত। কী এই ‘ডিজিটাল ধর্ষণ’ ?

By Bangla News Dunia Desk Bappaditya

Published on:

 

Bangla News Dunia, বাপ্পাদিত্য:- চার বছরের এক শিশুকে ‘ডিজিটাল ধর্ষণ’-এর অভিযোগ স্কুলের ভ্যান চালকের বিরুদ্ধে ৷ ঘটনাটি লখনউয়ের ইন্দিরা নগরের একটি স্কুলের ৷ ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (পূর্ব) শশাঙ্ক সিং জানান, এফআইআর দায়ের করা হয়েছে ৷ অভিযুক্ত ভ্যান চালক মহম্মদ আরিফকে গ্রেফতার করা হয়েছে ৷

অভিযোগ, স্কুল ভ্যান চালক চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করেছে ৷ শিশুর উপরে নির্যাতনের কথা শোনার পরই পরিবার স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে পরিবারের তরফে অভিযোগ করা হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এরপরই নির্যাতিতার মা ইন্দিরানগর থানায় স্কুল পরিচলন সংস্থা এবং ভ্যান চালকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ৷ বিষয়টির গুরুত্ব দেখে পুলিশ এফআইআর দায়ের করে অভিযুক্ত চালক আরিফ খানকে সর্বোদয় নগর বান্ধা রোড কল্যাণ অ্যাপার্টমেন্টের কাছে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ৷ এই মামলায় স্কুলের ভূমিকারও তদন্ত করা হচ্ছে ৷

কী হয়েছিল ‘ডিজিটাল ধর্ষণে’র ঘটনায় ?

লখনউয়ের ইন্দিরা নগরের বাসিন্দা শিশুটির মা অভিযোগ করেছেন, তাঁর চার বছরের মেয়ে গত 14 জুলাই স্কুলে গিয়েছিল ৷ এই সময় ভ্যান চালক মহম্মদ আরিফ মেয়ের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করে ৷ মেয়েটি বাড়ি ফিরে এসে এই কথা জানায় তাঁদের। নির্যাতিতার মা বলেন, “স্কুল থেকেই এই ভ্যান দেওয়া হয়েছিল ৷ আমার মেয়ে ওর যৌনাঙ্গে ব্যথা হওয়ার কথা বলে ৷ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায় যে ওর সেখানে আঘাত লেগেছে। আমি স্কুলের অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ করেছিলাম ৷ তিনি বলেছিলেন, এ বিষয়ে কথা বলবেন।”

একইসঙ্গে, জাত তুলে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে তাদের এবং মেয়েকে হুমকিও দেয় বলেও অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। নির্যাতিতার মা বলেন, “আমি যখন বাচ্চাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাই ৷ তখন ডাক্তার জানান, শিশুটি যা বলেছে তা ওর সঙ্গে সত্যিই হয়েছে ৷ এমনকী ওর যৌনাঙ্গে কোনও জিনিস ঢোকানো হয়েছিল। স্কুল জানিয়েছে, অভিযোগ করলে শিশুটির ভবিষ্যৎ এবং স্কুলের সুনাম দুই নষ্ট হবে ৷ এরপর তারা চালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় ৷ আমি দুই দিন অপেক্ষা করেছিলাম কিন্তু স্কুল কোনও ব্যবস্থা নেয়নি ৷ উল্টে স্কুলে আমাদের হেনস্থা করা হয় ৷ জাত তুলেও বাজে কথা বলা হয় ৷ আমাদের অপহরণের হুমকি দেওয়া হয় ৷ আমার কাছে সমস্ত প্রমাণ আছে। পুলিশ এফআইআর দায়ের করেছে ৷ আমার সন্তানের মেডিক্যাল পরীক্ষাও করা হয়েছে ।”

কী এই ‘ডিজিটাল ধর্ষণ’ ?

যৌনতার উদ্দেশে জোর করে যৌনাঙ্গে হাত বা পায়ের আঙুল, কোনও বস্তু প্রবেশ করানোকেই বলা হচ্ছে ডিজিটাল ধর্ষণ। 2013 সালের আগে ডিজিটাল ধর্ষণ আইনের চোখে ধর্ষণের আওতায় পড়েনি। দিল্লির নির্ভয়া মামলার প্রেক্ষিতে ধর্ষণের অপরাধ সংক্রান্ত আইনে ডিজিটাল ধর্ষণ অন্তর্ভুক্ত হয়। তার আগে পর্যন্ত একমাত্র জোর করে সঙ্গমকেই ধর্ষণ বলা হত। ডিজিটাল ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো আইনের 5 ও 6 ধারাতেও মামলা করা যায়। এই অপরাধে কেউ দোষী হলে 20 বছর পর্যন্ত কারাবাসের সাজা ছাড়াও 50 হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের নিয়ম রয়েছে।

কোন কোন ধারায় মামলা

বিএনএস-এর 65(2), 352, 351(2) ধারা, পসকো আইনে 5 (এম), 6 ধারায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ৷

আরও পড়ুন:- রেশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের। এখনই এই কাজ সারুন। নয়তো রেশন লিস্ট থেকে বাতিল হবেন

আরও পড়ুন:- তিন সপ্তাহ ধরে পতন শেয়ার বাজারে, কোন বিষয়গুলোকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা ? জানুন

Bangla News Dunia Desk Bappaditya

মন্তব্য করুন