Bangla News Dunia, বাপ্পাদিত্য:- পেট্রোল পাম্পে জ্বালানির বিশুদ্ধতা ও পরিমাণ নিয়ে প্রতারণা একটি সাধারণ সমস্যা, যা গ্রাহকদের আর্থিক ক্ষতি ও যানবাহনের ইঞ্জিনের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সতর্কতা অবলম্বন ও সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এই ধরনের প্রতারণা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
মিটারে ‘০’ নিশ্চিত করুন: জ্বালানি ভরার আগে নিশ্চিত করুন যে মিটারের প্রদর্শন ‘০’ এ রয়েছে। অনেক সময় পাম্প কর্মীরা মিটার পুনরায় সেট না করেই জ্বালানি ভরতে শুরু করে, যা কম পরিমাণে জ্বালানি পাওয়ার কারণ হতে পারে।
ঘনত্ব মিটার পর্যবেক্ষণ করুন: জ্বালানির বিশুদ্ধতা যাচাই করতে ঘনত্ব মিটারের দিকে নজর দিন। পেট্রোলের ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে ৭৩০ থেকে ৭৭০ কিলোগ্রামের মধ্যে এবং ডিজেলের ক্ষেত্রে ৮২০ থেকে ৮৬০ কিলোগ্রামের মধ্যে হওয়া উচিত। যদি এই মানের বাইরে কিছু লক্ষ্য করেন, তবে জ্বালানিতে ভেজালের সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন:- ভারতেও ভূমিকম্পের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করলেন IIT কানপুরের গবেষক
জ্বালানির গুণমান পরীক্ষা করুন: পেট্রোলের গুণমান পরীক্ষা করতে ফিল্টার পেপার ব্যবহার করতে পারেন। কয়েক ফোঁটা পেট্রোল ফিল্টার পেপারে ফেলুন; যদি এটি সম্পূর্ণভাবে উবে যায় এবং কোনো দাগ না থাকে, তবে পেট্রোল বিশুদ্ধ। দাগ থাকলে বুঝতে হবে পেট্রোলে ভেজাল রয়েছে।
পরিমাণ যাচাই করুন: জ্বালানি ভরার পর প্রাপ্ত রসিদে প্রদর্শিত পরিমাণ ও মূল্য যাচাই করুন। সন্দেহ হলে পাম্পে উপলব্ধ পরিমাপক যন্ত্রের সাহায্যে পরিমাণ পরীক্ষা করতে পারেন।
প্রতারণা এড়াতে করণীয়:
জ্বালানি ভরার সময় সম্পূর্ণ মনোযোগ দিন এবং কোনো বিভ্রান্তিতে পড়বেন না।
প্রতিবার রসিদ সংগ্রহ করুন এবং সংরক্ষণ করুন।
সন্দেহজনক কিছু মনে হলে পাম্পের ম্যানেজারের সাথে আলোচনা করুন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানান।
সতর্কতা ও সচেতনতার মাধ্যমে পেট্রোল পাম্পে প্রতারণা থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব। যদি কোনো প্রতারণার শিকার হন, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
আরও পড়ুন:- যে সংস্থায় কাজ করেন তার বাথরুম ভাড়া নিলেন তরুণী, কেন? জানলে চমকে যাবেন