Bangla News Dunia, Pallab : আর বঙ্গোপসাগর নয়, মে মাসের শেষেই আরব সাগরে তৈরি হতে চলেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়! ইতিমধ্যেই গুজরাত উপকূল ঘেঁষা অঞ্চলে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়েছে, যা ধীরে ধীরে ভয়ংকর রূপ নিতে চলেছে বলেই পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘শক্তি’, যার নামকরণ করেছে শ্রীলঙ্কা।
আরও পড়ুন : বাজারে আসছে নয়া ২০ টাকার নোট ! আগের গুলো কি বাতিল হচ্ছে ?
চলুন দেখে নেওয়া যাক, এই ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত কী কী তথ্য মিলেছে—
ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থান ও বর্তমান পরিস্থিতি
আরব সাগরের পূর্ব-মধ্য অংশে বর্তমানে একটি ঘূর্ণাবর্ত দেখা দিয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এটি একটি সুসংগঠিত নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। বিশেষ করে কর্ণাটক উপকূল থেকে শুরু করে গুজরাত উপকূল পর্যন্ত এর প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।
কবে কোথায় আছড়ে পড়তে পারে ‘শক্তি’?
আবহাওয়া দফতরের প্রাথমিক অনুমান, ২৮ মে থেকে ৩০ মে-র মধ্যে গুজরাতের উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় শক্তি। এর আগে অবশ্য এটি আরব সাগরের উপর দিয়ে বেশ কিছুটা পথ অতিক্রম করবে এবং সেই সময়ের মধ্যে এর শক্তি আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা।
শক্তি বাড়িয়ে উত্তরের দিকে আগাবে
এই ঘূর্ণিঝড় উত্তর দিকে অগ্রসর হওয়ার সময়ই ধীরে ধীরে আরও শক্তি সঞ্চয় করবে। এমনকী, যাত্রাপথে দিক পরিবর্তনের সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে পশ্চিম ভারতের উপকূলবর্তী জেলাগুলোকে থাকতে হবে উচ্চ সতর্কতায়।
কী হতে পারে প্রভাব?
ঘূর্ণিঝড় শক্তি যদি সত্যিই স্থলভাগে আছড়ে পড়ে, তাহলে গুজরাত সহ পশ্চিম ভারতের উপকূলবর্তী এলাকায় প্রবল বৃষ্টি, জলোচ্ছ্বাস, নদী-নালা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ৪০–৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টার গতিবেগে বাতাস বইতে পারে। মাছ ধরার নৌকা, ছোট জলযান চলাচলের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।
ইতিমধ্যেই জারি সতর্কতা
- ভারতের আবহাওয়া দফতর (IMD) জানাচ্ছে:
- পশ্চিম উপকূলে সমুদ্র উত্তাল থাকবে।
- গুজরাত, মহারাষ্ট্র এবং কর্ণাটক উপকূলের জন্য জারি করা হয়েছে অরেঞ্জ অ্যালার্ট।
- স্থানীয় প্রশাসনকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে সম্ভাব্য উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে।
আরব সাগরের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরেও সতর্কতা
এদিকে বঙ্গোপসাগরেও তৈরি হয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত, যদিও তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই জানিয়েছে মৌসম ভবন। তবে মে মাসের শেষ সপ্তাহে আবারও একটি নতুন ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হতে পারে আন্দামান সাগর সংলগ্ন এলাকায়, যা পরে উত্তর ও মধ্য বঙ্গোপসাগরের দিকে অগ্রসর হবে।













