Bangla News Dunia, Pallab : এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Corruption Case) কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির (ED) হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jiban Krishna Saha)। এবার এই মামলায় তাঁর পিসি তথা সাঁইথিয়ার তৃণমূল কাউন্সিলার মায়া সাহাকে (Maya Saha) তলব করেছে ইডি। বৃহস্পতিবার কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে।
জানা গিয়েছে, এদিন সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ সাঁইথিয়ার বাড়ি থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তিনি। ইডি সূত্রে খবর, হাজিরা দিলেই মায়া সাহার বয়ান রেকর্ড করা হবে। প্রয়োজনের পিসি ও ভাইপোকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারেও শোনা যাচ্ছে।
গত সোমবার জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। তখনই মোবাইল নর্দমায় ফেলে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক। পরে মোবাইল উদ্ধার ও বিধায়ককে গ্রেপ্তার করা হয়। সেদিনই জীবনকৃষ্ণের পিসি মায়া সাহার বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। পরবর্তীতে তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছিল।
এরই মাঝে জীবনকৃষ্ণর বাবা বিশ্বনাথ সাহা চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, পিসি-ভাইপো মিলে টাকাপয়সার গণ্ডগোল করেছে। এমএলএ হওয়ার পর থেকেই ছেলের বিপুল সম্পত্তি তৈরি হয়েছে। এমনকি তাঁর বোন বহু জায়গায় বেনামে সম্পত্তি কিনেছেন বলেও অভিযোগ তাঁর। যদিও দাদার অভিযোগ উড়িয়ে মায়া সাহা বলেন, ‘দুর্নীতির সঙ্গে আমার কোনও যোগ নেই। পারিবারিক হিংসা থেকে মিথ্যা দোষারোপ করা হচ্ছে।’
ইডি সূত্রে খবর, কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে জীবনকৃষ্ণ সাহার। বেশ কয়েকজন এজেন্ট এবং তাঁদের মাধ্যমে আরও কয়েকজন সাব-এজেন্টকে কাজে লাগিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হত বলে অভিযোগ। আর এভাবেই ২০১৯-২০ থেকে ২০২২-২৩ পর্যন্ত জীবনকৃষ্ণের সম্পত্তির পরিমাণ ক্রমশই বেড়েছে। বিধায়ক নিজের নামে এবং অন্য বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ঠদের নামে সম্পত্তি (জমি এবং বাড়ি) কিনেছেন। কেনা এই সম্পত্তিগুলির বেশির ভাগই নগদে কেনা হয়েছে বলে ইডি সূত্রের খবর। আর গোটা দুর্নীতিতে জীবনকৃষ্ণকে তাঁর পিসিই সাহায্য করেছেন বলে অভিযোগ। এবার আজ ইডির জিজ্ঞাসাবাদে কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে কি না, সেটাই দেখার।














