Bangla News Dunia, Pallab : এমন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকা উচিত যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। শুক্রবার মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে তাঁকে এই ভাষাতেই ‘সতর্ক’ করেছেন মোদি। সম্প্রতি চিন সফরে গিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে চিনকে অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তারের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছিলেন ইউনূস। তাঁর সেই মন্তব্যের নিন্দা করেই মোদি এই মন্তব্য করেছেন বলে জানান ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি। এর পাশাপাশি তাঁর বক্তব্যে গুরুত্ব পেয়েছে বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও। বিক্রম মিস্রি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে হিন্দু সহ অন্যান্য সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে ভারতের উদ্বেগের কথাও এদিনের বৈঠকে তুলে ধরেছেন।’
আরও পড়ুন : এবার পশ্চিমবঙ্গে কেমন গরম সহ্য করতে হবে ? পূর্বাভাস দিলো আবহাওয়া দপ্তর
থাইল্যান্ডে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে আজ দুই রাষ্ট্রনেতার সাক্ষাৎ হয়। এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে আগ্রহী ভারত। আলাপচারিতায় এমনটাও জানিয়েছেন মোদি। এই প্রসঙ্গে বিক্রম মিস্রি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এদিনের বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক এবং গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে ভারতের সদিচ্ছার প্রতিও জোর দিয়েছেন।’ বৈঠকের মাঝেই উঠে আসে হাসিনা প্রসঙ্গ। মোদিকে অনুযোগের সুরে ইউনূস জানান, আওয়ামী লিগ নেত্রী ভারতে বসেই বাংলাদেশে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।
এদিনের বৈঠকে সীমান্তে নিরাপত্তার ব্যাপারটিতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে কঠোর আইন প্রনয়নের কথাও বলেন মোদি। এদিনের বৈঠকে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।