প্রেসিডেন্টের বাড়িতে আগুন ধরাল বিক্ষোভকারীরা, পদত্যাগ একাধিক মন্ত্রীর

By Bangla News Dunia Dinesh

Published on:

গণসমাজের প্রতিবাদের জেরে অশান্ত নেপাল ( নেপাল প্রতিবাদ )। নির্দেশক কেপি শর্মা ওলির ( কেপি শর্মা অলি ) ইস্তফার অনুরোধে সরব নেপালের জনতা। এনিয়ে মার্চ থেকে ফের নতুন করে প্রচার ছডিয়েছে দেশের বেশ অংশে। দেশের প্রথম-মানুষদের বাসভবন লক্ষ্য করে যুদ্ধ চালাচ্ছে ক্ষুব্ধ জনতা। নেপালের পার্কের প্রেসিডেন্ট ( রামচন্দ্র পোড়ে এল) বাসভবনেও ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে আগুন। নেত্রী প্রাক্তন পুষ্প কমল দাহাল ওরফে প্রকান্ডের ঘরপালওকচুর চালিয়েছে প্রতিবাদকারীরা। চাপের পড়ে পদ পদে চাপ দেওয়া হয়েছে।

সোশ্যাল ভিডিওয় নিষেধাজ্ঞার জেরে প্রতিবাদে প্রতিবাদে উত্তর নেপালপাল হয়েছিল। জনরোষ জানার পাঠ সরকার নিষেধাধাটি নিরীক্ষণ ওলির দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব উপস্থিত সকলে। ওলির সরকারকে গদিচ্যুত করার প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। প্রকাশকপালের প্রকাশের থেকে শুরু করে প্রাক্তন প্রকাশর মালিকানা ধরে রেখেছে। নেপালের পাশের বাড়ির শের বাউবারও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। উপপ্রধানমন্ত্রীর বাড়ি লক্ষ্য করেও পাথর ছোটে উম্মত্ত জনতা।

মধ্যবর্তী সময়ে, উত্তপ্ত সামার জেরে কাঠমান্ডু এবং সংলগ্ন এলাকায় জারি করা হয়েছে কারফিউ। যা অনির্দিষ্টকালের জন্য জারি থাকবে বলে। যদিও এই কারফিউ উপেক্ষা করেই শান্তিপূর্ণভাবে চলছে জনতা। নেপালের এই জেরে স্বরাষ্ট্রীয় শান্তির পদ চাপে উত্তর। একই পথে হেঁটেছেন উপপ্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্য, কৃষি, জল সরবরাহ ব্যবস্থা দেশের পথ। একের পর এক নেতার পদপদে জেরে চাপে আছে ওলিও। এই আবহেই তিনি সর্বদলীয় নেতার ডাক।

উল্লেখ্য, স্বাভাবিক নিয়মনীতি না মানায়্যাট, ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব সহ ২৬টি সোল্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে প্রকাশ করা হয়েছিল নেপালে। এরই প্রতিবাদে অভিযোগ অভিযোগ ছিল। ব্যক্তিগত ছত্রভঙ্গ করতে চালিয়েছিল পুলিশ। সোমবারের এই প্রচারে এখনও পর্যন্ত ১৯ মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। ঠিক আছে।

Bangla News Dunia Dinesh

মন্তব্য করুন