পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, অর্থ দপ্তরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, ২০২৫ সালের বিশ্বকর্মা পূজার জন্য ছুটির বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এই ঘোষণাটি রাজ্যের সমস্ত সরকারি এবং সরকার অনুমোদিত বিদ্যালয়গুলির জন্য প্রযোজ্য হবে। এই ছুটির ফলে ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা এই উৎসবটি যথাযথভাবে পালন করার সুযোগ পাবেন।
ছুটির বিস্তারিত তথ্য
অর্থ দপ্তরের জারি করা ছুটির তালিকা মেনেই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আসুন, এই ছুটির বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক:
- ছুটির তারিখ: ২০২৫ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর, বুধবার, বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে ছুটি থাকবে।
- প্রযোজ্যতা: এই ছুটি পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অধীনে থাকা সমস্ত বিদ্যালয়ের জন্য কার্যকর হবে।
- বিজ্ঞপ্তির কারণ: অর্থ দপ্তর এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ছুটির তালিকার মধ্যে সামঞ্জস্য না থাকলে অনেক সময় বিদ্যালয়গুলিতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। সেই সমস্যা দূর করতেই পর্ষদ এই ম্যাচিং অর্ডার বা সামঞ্জস্যপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, যা একটি প্রশংসনীয় পদক্ষেপ।
বিশ্বকর্মা পূজা: এক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
বিশ্বকর্মা পূজা শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসবই নয়, এটি বাঙালি সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই দিনে মূলত কারিগর, শিল্পী, এবং প্রযুক্তিবিদরা তাদের যন্ত্রপাতি ও কর্মক্ষেত্রের পূজা করেন। ভগবান বিশ্বকর্মাকে সৃষ্টির দেবতা হিসেবে গণ্য করা হয়। এই উৎসব শ্রমিক এবং কারিগরদের কঠোর পরিশ্রমকে সম্মান জানায় এবং তাদের কাজের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তোলে। বিদ্যালয়গুলিতে এই ছুটির মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরাও এই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে।
শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীদের জন্য তাৎপর্য
এই ছুটি ঘোষণা শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রী উভয়ের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি তাদের উৎসবের আনন্দ উপভোগ করার এবং পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেবে। অনেক বিদ্যালয়ে এই উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সৃজনশীলতা এবং দলবদ্ধভাবে কাজ করার মানসিকতা বাড়িয়ে তোলে। এই ধরণের ছুটি মানসিক বিশ্রামের পাশাপাশি পড়াশোনার একঘেয়েমি কাটাতেও সাহায্য করে।













