Bangla News Dunia, Pallab : জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন (NFSA) অন্তর্গত ভারত সরকার দেশের সাধারণ নাগরিকদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অথবা স্বল্পমূল্যে খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ করে থাকেন। করোনা মহামারীর পরবর্তী সময় থেকে ভারত সরকার সম্পূর্ণ বিনামূল্যেই রেশন সামগ্রী সরবরাহ করে আসছে। এবার এই রেশন প্রকল্পে এক আমুল পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে। যার মাধ্যমে সরকার এবার থেকে বিনামূল্যে শুধু রেশন সামগ্রী নয় এর পাশাপাশি ১০০০ টাকা প্রদান করতে চলেছে। তাই যে সমস্ত ভারতীয় নাগরিক রেশন সামগ্রীর সুবিধা পেয়ে থাকেন তারা রেশন সামগ্রী পাশাপাশি কিভাবে ১ হাজার টাকা সুবিধা পেতে পারেন তা বিস্তারিত জানতে প্রতিবেদনটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বিস্তারিত দেখুন। আজকের প্রতিবেদনে আমরা ভারত সরকারের রেশন প্রকল্পের নতুন নিয়ম সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য তুলে ধরা হলো।
আরও পড়ুন : এবার পশ্চিমবঙ্গে কেমন গরম সহ্য করতে হবে ? পূর্বাভাস দিলো আবহাওয়া দপ্তর
নতুন নিয়মের সুবিধা:
খাদ্য সাথী (Khadya Sathi) প্রকল্পের মাধ্যমে আমাদের রাজ্যে বর্তমানে প্রায় ১০ কোটি ৬০ লক্ষের কাছাকাছি মানুষেরা ফ্রি রেশন সামগ্রী পেয়ে থাকেন। তবে বর্তমানে রেশম সামগ্রী বিতরণে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠে এসেছে। তাই ভারত সরকার এবং রাজ্য সরকার গুলি রেশন কার্ড সরবরাহের ক্ষেত্রে একাধিক সতর্ক জারি করেছেন। এই মোতাবেক ভারত সরকার ডিজিটাল রেশন কার্ড প্রবর্তন করেন যা আধার ভিত্তিক যাচাইকরণ এবং ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যা ভারতীয় রেশন প্রকল্পে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করবে এবং জালিয়াতির সম্ভাবনা হ্রাস করবে। এই নতুন প্রকল্পের আওতায়, ভারত সরকার যোগ্য পরিবারগুলিকে প্রতি মাসে রেশন দেওয়া হবে।
এর অন্তর্গত প্রতিটি পরিবার ৫ কেজি চাল ও ৫ কেজি গম পাবে, সাথে ১ কেজি ডাল ও ১ কেজি চিনি পাবে। এছাড়াও, প্রতি মাসে ১০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা সরাসরি সুবিধাভোগীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। তাই যে সকল জনগণ সরকারের এই প্রকল্পের সুবিধা উপভোগ করতে চান তারা নিম্নলিখিত উপায়ে আবেদন জানাতে পারেন।
আবেদন যোগ্যতা:
সরকারের রেশন প্রকল্পের মাধ্যমে রেশন সামগ্রীর পাশাপাশি ১ হাজার টাকা পাওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া অংশগ্রহণ করুন। তবে এই রেশন কার্ড পাওয়ার জন্য সকলেই যোগ্য নন, এর জন্য আবেদনকারীকে কিছু মৌলিক যোগ্যতার মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। যথা- আবেদনকারীর পারিবারিক আয় দারিদ্র্যসীমার নিচে হতে হবে এবং সকল সুবিধাভোগীর জন্য আধার কার্ড বাধ্যতামূলক। আবেদনের সময় আধার কার্ড, বসবাসের শংসাপত্র, আয়ের শংসাপত্র, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি থাকতে হবে।