বকেয়া DA মামলায় সুপ্রিম কোর্টের পদক্ষেপে এবারে খুশি সরকারি কর্মীরা, কি ঘটল আদালতে ? জানুন

By Bangla News Dunia Desk Bappaditya

Published on:

 

Bangla News Dunia, বাপ্পাদিত্য:- সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ বকেয়া DA মামলায় রাজ্য সরকারের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিচারপতিরা পর্যবেক্ষণে বলেছেন, রাজ্য নিজেই বিভ্রান্তি তৈরি করছে এবং সেই বিভ্রান্তিতেই সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে। আদালত স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে, আইন মেনে চলা বাধ্যতামূলক এবং কর্মচারীদের আর্থিক অবস্থার কথা বিবেচনায় রাখতে হবে। এই মন্তব্যে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে যে এবার ন্যায্য সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

বকেয়া DA মামলায় রাজ্যের নতুন পিটিশন

রাজ্য সরকার নতুন করে একটি পিটিশন জমা দিয়েছে। কর্মচারী সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, এই পিটিশন তাদের আইনজীবীদের মামলার প্রস্তুতিতে কিছুটা সুবিধা দিলেও, এর ফলে সময় আরও দীর্ঘ হতে পারে। অনেক কর্মচারী আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘসূত্রিতার ফলে তারা আর্থিক সমস্যায় পড়তে পারেন। অন্য দিকে, কেউ কেউ মনে করছেন এই পদক্ষেপে অন্তত কিছু আইনি স্বচ্ছতা আসবে।

আরও পড়ুন:- এই কার্ড থাকলে প্রতিমাসে 3000 টাকা দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। আবেদনের নিয়ম জেনে নিন

সুপ্রিম কোর্টে মহার্ঘ ভাতা মামলা

এর আগে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল যে, বকেয়া DA-র অন্তত ২৫% নির্দিষ্ট সময় সীমার মধ্যে জমা দিতে হবে। কিন্তু রাজ্য সেই সময় সীমা পূরণে ব্যর্থ হয়। জানা গেছে, ২০০৬ থেকে ২০১৫ সালের হিসাবে রাজ্যের ওপর প্রায় 41,770.95 কোটি টাকার দায় রয়েছে। এর মধ্যে ২৫% পরিমাণ অর্থ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আলাদা রাখার কথা ছিল।

আদালতের নির্দেশ ও শুনানার পরবর্তী ধাপ

আদালত জানিয়েছে, আগামী শুনানি পর্যন্ত রাজ্যকে আইন মেনে চলতে হবে। যদি সময়মতো পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে আরও কঠোর নির্দেশ আসতে পারে। রাজ্যের ছয় মাস বাড়ানোর আবেদনও আদালতের নজরে এসেছে, তবে তা অনুমোদন হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। সব চোখ এখন পরবর্তী শুনানির দিকে।

উপসংহার

বকেয়া DA বা মহার্ঘ্য ভাতা শুধু আয়ের অংশ নয়, এটি সরকারি কর্মচারীর ন্যায্য অধিকার। আদালতও একাধিকবার উল্লেখ করেছে যে ডিএ কোনো দান নয়, বরং এটি একটি বাধ্যতামূলক আর্থিক প্রাপ্য। এবার সুপ্রিম কোর্টের কঠোর বার্তা রাজ্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে যাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। সরকারি কর্মচারীরা আশা করছেন, এর ফলে বহু দিনের বকেয়া সমাধানের পথে এগোবে।

 

Bangla News Dunia Desk Bappaditya

মন্তব্য করুন