জেন জি ঘোষণায় উত্তর নেপাল। এদিন দেশ সংখ্যা হিংসায় মৃত্যু হয়েছে ১৯। তীব্র আন্দোলনের জ্ঞান পড়ে শেষ পর্যন্ত সোশ্যাল ভিডিও থেকে নিষেধা প্রত্যাহার করে নেপালের পিকে শর্মা ওলি সরকার। অগ্রগতি সামনে চলা হুঁশিয়ারি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীরা। এই আবহে নেপালে বসবাস করা তাদের সাথে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রকের তরবিতে বিবৃতি করা হয়।
সোমবারের সকাল নয়াদিল্লি বলেছে, ‘আমরা নেপালের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি। বহু তরতাজা প্রাণের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে দুঃখিত। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমরা সমবেদনা জানাই। নিয়ন্ত্রণকারীদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’
নেপালে বসবাসকারীর উদ্দেশে উদ্দেশে নয়াদিল্লির বার্তা, ‘ঠিকমান্ডু এবং আরও বড় দল কার্ফিউ জারি হয়েছে। নেপালে নাগরিক নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া এবং নেপালে নাগরিকদের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।’ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে বলে আশাবাদী ভারত।
ওলি পুলিশ বিরুদ্ধে দুর্নীতি সহ তথ্য অভিযোগ ছিল। আবার সেদেশে ফেসবুক, এক্স সহ ২৬ ধরনের সোশ্যাল ইউটিউটি ভিডিও (যৌদিও টিকটকে নিষেধা ছিল না) ক্ষমতাক্ষোভ আরও বাড়ে। এর আন্দোলন আন্দোলনে দেশটির তরুণ প্রজন্ম। ভিডিও প্রকাশকে শর্মা ওলি প্রতিবাদ প্রতিবাদ প্রদর্শন করছে। বিশ্বের অনলাইনে আন্দোলন শুরু করতে দ্রুত গণ-আন্দোলনের রূপ দেখান। সোমবার রাজধানী কাঠমান্ডুর (কাঠমান্ডু) সংসদ ভবনের প্রতিবাদে প্রতিবাদে শামিল হন হাজার তরুণ-রুণ। ঠেকাতে নেতা জলকামান, লাঠিচার্জও করে পুলিশ। বাস্তব নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঠমান্ডুতে কার্ফিউ জারি করা হয়। পরিস্থিতির প্রভাবে একজনের নাম উল্লেখ করা হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জয়টি ১৯ জন প্রতিবাদকারী হিংসায় মৃত্যু হয়েছে। সাধারণ ২৫০-র বেশি।
আন্দোলনকারীদের দাবি, এই আন্দোলন শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞার জন্য নয়। ওলির আমলে রাষ্ট্র বেকারত্ব সেনা সদস্য লাগমছাড়া ক্রুডিউর। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন।














