কলকাতায় ভোটের ( কংগ্রেস) রাজ্য দপ্তর ভবনে ( বিধান ভবন) একাধিক তারিখের পর পর শেষ হল সেরা রাকেশ সিংহ ( রাকেশ সিং) । সকালের রাত কলকাতার ট্যাংরা ( ট্যাংরা) এলাকা থেকে তাঁকে বলা এন্টালি পুলিশ (এন্টালি থানা) । উত্তরার পর থেকে পলাতক ছিলেন তিনি।
প্রদেশের সদর সদর দপ্তর চূড়ার আগে চার চারটি কথা বলা পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ছিলেন রাকেশের পুত্র শিবম সিংহও, রাকেশ ঘনিষ্ঠ বিজয়প্রসাদ ধানুক, সন্তোষকুমার রাজভর এবং দিব্যেন্দু সামন্ত।
রাকে পাগলকে শিয়ালদ আদালতে দেওয়া হবে পুলিশ। রাতের বেলা যখন তাঁকে পুলিশ গ্রপ্তার করে তখন তাঁকে নরেন্দ্র মোদি জিন্দাবাদ বলে স্লোগান দিতে। তিনি এও বলেন, ‘রাকেশ সিংহ ভয় পান না।’
সকাল সকাল ১১টা নাগাদ কলকাতায় প্রদেশের সদর দপ্তর ভবনে ভোটের ঘটনা ঘটে। গেট উল্টালে দিয়ে আগুন জ্বালানো হয়। এমনকী পোঁদের পটাকাও করা হয়।
আপনার অভিযোগ, রাকেশের পক্ষে একদল সমর্থক সমর্থক পতাকা অধিকার ভবনে অধিকার করে। এব্যাপারে প্রতিক্রিয়াই রাশের বিরুদ্ধে অভিযোগ এফআইআরকে অনুরোধ করা হয়। অস্ত্র আইন সহ শব্দ ধারায় রাকেশের বিরুদ্ধে অভিযোগটি হয়।
২৭ সেপ্টেম্বর ভোটার অধিকারযাত্রায় বিদেশের দ্বারভাঙ্গা থেকে মুজফ্রপুর ছেড়েছেন রাহুল গান্ধী, প্রিয় গান্ধী, তেজী যাদবেরা। দ্বারভাঙ্গায় কুড়ির একটি মঞ্চ থেকে বছর এক তরুণ তরুণ মোদি ও তাঁর প্রয়াত নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। সংঘাতের শুরু মন্তব্যকে নিয়ে। এরই অংশের দপ্তরে বিষ্ময় চুরির অভিযোগ।
বিভিন্ন জায়গায় রাকেশের খোঁজ শুরু করে পুলিশ। তাঁর বাড়িতে তাল্লাশি তৈরি হয়। কিন্তু তাঁকে পাওয়া যায়। তবে গা ঢাকাও সমাজ মাধ্যম বেশ সক্রিয় ছিলেন তিনি। সোমবার তাঁর ছেলে শিবমকে পুলিশ কার্যকর সমাজের মাধ্যমে সরব হয়েছিলেন। সেখানে তিনি নিরাপত্তা দিয়েছিলেন, পুলিশ তাঁকে ধরতে না পারে তাঁর ছেলেকে বলেছে। এছাড়াও পুলিশ তাঁর বাড়িতে গিয়ে তাঁর স্ত্রী ও নারীদের হেনস্থা করেছে।













