গাঙ্গারনে বিফল ধুলিয়ান শহর বিস্তীর্ণ এলাকা। খননের কারণে কয়েক মিটার এলাকা ধসে গঙ্গা গভর্নিং বিলীন হচ্ছে। বহু ঘরবাড়ি গাঙ্গায় তলিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এলাকা ছেড়ে আশ্রয়ের খোঁজে অন্যত্র জানাচ্ছেন। আবার ইসলামের হুমকির বিরুদ্ধে লড়াই করে সেখানে বসবাস করছেন। আচমকাই গঙ্গাঘাটের জেটি সংলগ্ন কয়েক মিটার চর এলাকা নদী গভীরে তলিয়ে নির্দেশ। বালি বস্তার পক্ষে প্রতিবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ। যেখানে পাড়ছে, তারই ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা লালপুর। ভোগের জেরে লালপুরের বাসিন্দাদের রাতের ঘুম উড়েছে। এই রাত জেগে পাহারা দেওয়া শুরু করেছেন দুর্গতরা। আলো ফুটলেই এলাকাবাসী পাড়ে নজরদারি চালাচ্ছেন। আপনার উপর ভরসা না গ্রাম বাঁশ ও বালির বস্তা মজুত করছেন বাসিন্দা বাসিন্দারা।
ভোটের কবলেব সামশেরগঞ্জের শিপুর, ঘাঁরা ও চাচন্ড এলাকা। অনেক মানুষ মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়েছেন। ইসলাম আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয়স্থল। এই ধুনে খনন শুরুর স্বভাবতই আতঙ্ক শহরবাসী। স্থানীয় ধুলিয়ান পুর স্থানীয় বাসিন্দা এন্তাজুল শেখ বলেন, ‘আমাদের এই ধুলিয়ান শহর এমন একটি ভৌগোলিক পরিবেশের মধ্যে অবস্থান করছে, যেখানে প্রতি বছর ক্রমক্রম চলছে। আমরা উদ্বেগ রয়েছি। মূহুর্তে মুছে যাবে।’
পুজোর আসনের জেরে ব্যবসাপত্র লাটে। ধুনোর বাসিন্দা সুজয় সরকার বলেন, ‘সামনেই বাঙালির শ্রেষ্ঠত্ব, সকলের শুধু মানুষই ধর্ম পালন করেন তা নয়,- এই ক্ষমতাকে ব্যবসা করে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন আমাদের আনন্দ ব্যাহত হচ্ছে, সেই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে ভাটা দেখাবে। এ বছর এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হবে, এতটা আন্দাজ করা হবে।’ একই সুরে প্রচার করা যায় স্থানীয় স্থানীয় বাসিন্দা কামাল শেখের প্রাণ দিতে।
এবিষয়ে ধুলিয়ান পুরসভার জনসভার ইনজামুল ইসলাম অবশ্য গ্রামবাসীদের সব সাহায্যের আশ্বাস মুসলিম। তাঁর কথায়, ‘আমরা যতটুকু সম্ভব সম্ভবের মধ্যে দুর্গতদের রাখার চেষ্টা করছি। আপাতত সকলকে বুঝতে চেষ্টা করছি। জলস্তর কমলেকন বন্ধের কাজ জোরকদমে শুরু করা হবে বলে আশা করছি।’ এদিকে, সামেরগঞ্জ ব্লকের বিডিও সুজিতচন্দ্র লোধের কথায়, ‘প্রশাসন টিম রেডি রয়েছে। বিশেষ টিম এলাকায় নজর রেখেছে।’














