Bangla News Dunia, Pallab : নরেন্দ্র মোদির পর দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে গেরুয়া শিবির কাকে আনতে চায়, তা নিয়ে জল্পনার অন্ত নেই। মোদি আরএসএসের সদর দপ্তরে যাওয়ার পর সেই জল্পনার পালে হাওয়া লেগেছে। আর তাতে সবথেকে বেশি নাম ভাসছে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের। এই ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি পুরোপুরি যেমন বিষয়টি মানতে চাননি, ঠিক তেমনই সেটিকে খারিজও করেননি। যোগীর সাফ কথা, ‘দেখুন আমি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। দল আমাকে উত্তরপ্রদেশের মানুষের জন্য এখানে এনেছে। আমার কাছে রাজনীতি পূর্ণ সময়ের কাজ নয়। বর্তমানে আমরা কাজ করছি ঠিকই। কিন্তু বাস্তবে আমি একজন যোগী।’ তিনি এও বলেন, ‘আমরা এখানে যতদিন আছি, ততদিন কাজ করে যেতে হবে। তবে তারও একটা সময়সীমা আছে।’
আরও পড়ুন : এবার পশ্চিমবঙ্গে কেমন গরম সহ্য করতে হবে ? পূর্বাভাস দিলো আবহাওয়া দপ্তর
গোরখপুর মঠের প্রধান পুরোহিতকে নিয়ে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে চর্চা কম হয় না। আরএসএস বা বিজেপি তাঁকে নিয়ে কোনও মন্তব্য না করলেও হিন্দুত্ববাদীদের একটা বড় অংশ যোগী আদিত্যনাথ এবং তাঁর কট্টরপন্থী রাজনীতিকে সমর্থন করেন। মোদির বয়স ৭৫ হলে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হবে বলে শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা সঞ্জয় রাউত যে মন্তব্য করেছেন, তাতে যোগী ফের চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে। পরপর দু-বার উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে যোগী। বিজেপির হাইকমান্ডের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধের বিষয়টি অবশ্য খারিজ করে দিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দলের কারণেই আমি এই কুর্সিতে বসে রয়েছি।
দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বিরোধ থাকলে আমি কি এখানে বসে থাকতে পারতাম?’ এদিকে ত্রিভাষা নীতি নিয়ে তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের বিরোধিতা করে যোগী বলেন, ‘উত্তরপ্রদেশের স্কুলগুলিতেও তামিল, তেলুগু, বাংলা, মারাঠি ভাষা পড়ানো হয়। সেই কারণে এখানে কাজের সুযোগ বাড়ছে।’ জবাবে কংগ্রেস নেতা কার্তি চিদম্বরম জানতে চেয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের স্কুলে কতজন শিক্ষক তামিল ভাষা পড়ান। কত ছাত্র তামিল ভাষা পড়তে চেয়েছেন তাও জানতে চান কার্তি।