Bangla News Dunia, বাপ্পাদিত্য:- ‘রাধে-রাধে’ বলার কারণে নার্সারির শিশুকে মারধর ও মুখে টেপ লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ছত্তিশগড়ের দুর্গ জেলার নন্দিনী থানার অন্তর্গত বাগডুমার গ্রামের মাদার টেরেসা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে। ‘রাধে-রাধে’ বলে সম্ভাষণ জানানোর জন্য সাড়ে ৩ বছরের এক ছাত্রীকে ওই প্রিন্সিপাল মারধর করেন বলে অভিযোগ। প্রাথমিক তদন্তের পর অভিযুক্ত প্রিন্সিপাল ইলা ইভেন কৌলভীনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার সকাল সাড়ে সাতটার সময় এই ঘটনা ঘটে। মেয়েটি ‘রাধে-রাধে’ প্রিন্সিপালকে বলে অভ্যর্থনা জানায়। অভিযোগ, এরপরেই প্রিন্সিপাল শিশুটিকে চড় মারেন। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে তার মুখে টেপ লাগিয়ে রাখেন। আরও শারীরিক শাস্তি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। মেয়েটি বিষণ্ণ অবস্থায় বাড়ি ফিরে তার বাবা-মাকে ঘটনাটি জানায়। বাবা প্রবীণ যাদব এরপর নন্দিনী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। শিশুটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। তারপরেই পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়।
যদিও, স্থানীয় পুলিশ আধিকারিক পদ্মশ্রী তানওয়ার বলেছেন যে প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারার জন্যই প্রিন্সিপাল শিশুটিকে শাস্তি দিয়েছেন। তবে, সেসব ছিল অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক। তিনি বলেন,’শিশুটির মুখে প্রায় ১৫ মিনিট ধরে টেপ বেঁধে রাখা হয়েছিল এবং তাকে মারধর করা হয়েছিল। আমরা প্রিন্সিপালকে গ্রেফতার করেছি এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা দায়ের করেছি। যার মধ্যে শিশু নির্যাতন এবং আঘাত করা সম্পর্কিত ধারাগুলিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’
এই ঘটনায় রাজনীতি শুরু হয়েছে। অভিযোগ দায়েরের পরপরই বজরং দলের কর্মীরা থানায় পৌঁছে স্কুল প্রশাসনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। শৃঙ্খলার আড়ালে ধর্মীয় বৈষম্য প্রচারের অভিযোগ তোলেন। তাঁরা আরও অভিযোগ করেন যে এই ধরনের ঘটনা কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গভীর অসহিষ্ণুতা তুলে ধরছে। শিক্ষা দফতর স্বাধীন তদন্ত শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। যার রিপোর্টের ভিত্তিতে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
আরও পড়ুন:- কলকাতায় পা রাখছেন ফুটবলের রাজপুত্র মেসি, কবে আসছেন? জেনে নিন
আরও পড়ুন:- প্যান কার্ড থাকলেই পাবেন কড়কড়ে 5 লাখ টাকা। শর্তাবলী ও আবেদন পদ্ধতি জেনে নিন














