Bangla News Dunia, দীনেশ : ২০১৬ সালের এসএসসি’তে (SSC Recruitment Case Verdict) নিয়োগের পুরো প্যানেল বৃহস্পতিবার বাতিল করেছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের রায়ের পর চাকরি হারান ক্যানিংয়ের এক শিক্ষিকা। সেখানকার একটি স্কুলে ইতিহাসের শিক্ষিকা তিনি। চাকরি হারানোর খবর পেতেই তাঁর বাড়িতে পাওনাদাররা এসে হাজির হন। তাঁকে চাপ দিতে থাকেন বলে অভিযোগ। এরপরই সুইসাইড নোট লিখে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করেন ওই শিক্ষিকা। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি।
আরও পড়ুন : প্রচন্ড গরমে রোদ লেগে মাথা যন্ত্রণা ? দ্রুত মুক্তি দেবে হোমিওপ্যাথি ওষুধ
জানা গিয়েছে, ওই শিক্ষিকা মেদিনীপুরের বাসিন্দা। ২০১৬ সালের প্যানেলের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন তিনি। চাকরিসূত্রে ক্যানিংয়ে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। গতকাল সুপ্রিম রায়ের পর বাতিল হয়ে যায় তাঁর চাকরি। এরপরই ভেঙে পড়েন তিনি। তার উপর বাড়িতে পাওনাদাররা এসে চাপ দেওয়ায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন ওই শিক্ষিকা। জানা গিয়েছে, তাঁকে ঘর থেকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় ক্যানিং হাসপাতালে। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। তাঁর ঘর থেকে মিলেছে একটি সুইসাইড নোট। সেখানে নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন ওই শিক্ষিকা।
আরও পড়ুন : এপ্রিল মাসে বদলে যাচ্ছে ব্যাংকের এই নিয়মগুলি, না জানলে পড়তে হতে পারে বিপদে
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের এসএসসি’তে (SSC Recruitment Case) নিয়োগের পুরো প্যানেল গতকাল বাতিল করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) রায়ই বহাল রেখেছে দেশের শীর্ষ আদালত। ফলে বাতিল হয়েছে ২৫,৭৫২ জনের চাকরি। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ জানিয়েছে, তিন মাসের মধ্যে নতুন নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, যাঁরা অন্য সরকারি চাকরি ছেড়ে ২০১৬ সালের এসএসসির মাধ্যমে স্কুলের চাকরিতে যোগদান করেছিলেন, তাঁরা চাইলে পুরোনো কর্মস্থলে ফিরে যেতে পারবেন। ফের চাকরির পরীক্ষায় বসতে পারবেন চাকরি বাতিল হওয়া প্রার্থীরা। ৩ মাসের মধ্যে এই কাজ শেষ করতে হবে।
আরও পড়ুন : এবার পশ্চিমবঙ্গে কেমন গরম সহ্য করতে হবে ? পূর্বাভাস দিলো আবহাওয়া দপ্তর