8th Pay Commission: বেতন কাঠামো কেমন হওয়া উচিত? মতামত জানানোর সময়সীমা বাড়ল, কারা কীভাবে জানাবেন?

By Bangla News Dunia Desk - Pallab

Published on:

8th Pay Commission: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর সামনে এসেছে। অষ্টম পে কমিশনের (8th Pay Commission) নীতি নির্ধারণে নিজেদের সুবিধা-অসুবিধা ও মতামত জানানোর জন্য অতিরিক্ত সময় পেলেন সংশ্লিষ্টরা। বেতন কাঠামো এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা কেমন হওয়া উচিত, সে বিষয়ে সুপারিশ পাঠানোর সময়সীমা বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন সময়সীমা ও আবেদন পদ্ধতি

পূর্বে এই মতামত জানানোর শেষ তারিখ ছিল ১৬ মার্চ। তবে তা আরও ১৫ দিন বাড়িয়ে আগামী ৩১ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে মাথায় রাখতে হবে, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ‘MyGov’ পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। কাগজ, ইমেল বা পিডিএফ আকারে পাঠানো কোনো প্রস্তাব কমিশন গ্রহণ করবে না। নির্দিষ্ট পোর্টালে (https://www.mygov.in/mygov-survey/8th-central-pay-commission-questionnaire/) গিয়ে নিজেদের মোবাইল নম্বর বা ইমেল আইডি এবং ওটিপি-র (OTP) সাহায্যে লগ ইন করে ১৮-দফা প্রশ্নমালার উত্তর দেওয়া যাবে।

কারা এই মতামত জানাতে পারবেন?

অষ্টম পে কমিশনের এই বিশেষ সমীক্ষায় নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:

  • বিভিন্ন মন্ত্রক, বিভাগ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কর্মরত সরকারি কর্মীরা।
  • বিচারবিভাগীয় আধিকারিক এবং আদালতের কর্মীরা।
  • কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের সংগঠন বা ইউনিয়ন।
  • গবেষক, শিক্ষাবিদ এবং মন্ত্রকের অনুমোদিত নোডাল আধিকারিকরা।

কেন এই পদক্ষেপ তাৎপর্যপূর্ণ?

অষ্টম পে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত সরকারি চাকরীজীবীদের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ হতে পারে। কারণ এই ১৮-দফা প্রশ্নমালার মাধ্যমে প্রাপ্ত উত্তরের উপর ভিত্তি করেই আগামী দিনের বেতন, মহার্ঘ ভাতা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার রূপরেখা তৈরি করবে কমিশন। যাঁরা এই সার্ভেতে অংশ নেবেন, তাঁদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সম্পূর্ণ বজায় রাখা হবে। অর্থাৎ, অংশগ্রহণকারীদের নাম কোনোভাবেই প্রকাশ করা হবে না।

পে কমিশন গঠন ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা

কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে গঠিত এই অষ্টম পে কমিশনের নেতৃত্বে রয়েছেন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই। তাঁর সঙ্গে কমিটিতে রয়েছেন অধ্যাপক পুলক ঘোষ এবং পঙ্কজ জৈন। ১৮ মাসের মধ্যে এই কমিটিকে নিজেদের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ১০ বছর অন্তর নতুন পে কমিশন কার্যকর হয়। সেই হিসেবে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে অষ্টম পে কমিশনের সুপারিশগুলি সারা দেশে বাস্তবায়িত হওয়ার কথা রয়েছে।

Bangla News Dunia Desk - Pallab

মন্তব্য করুন