Bangla News Dunia, বাপ্পাদিত্য:- ভবিষ্যতে যে কোনও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে আমেরিকাকে বাঁচাবে ‘গোল্ডেন ডোম’। বলা হচ্ছে, এই ডোমটি ইজরায়েলের আয়রন ডোমের চেয়ে বহুগুণ শক্তিশালী হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘গোল্ডেন ডোম’ প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন। যার আনুমানিক ব্যয় ১৭৫ বিলিয়ন ডলার বলে জানা গেছে। গোল্ডেন ডোমের মূল উদ্দেশ্য হল চিন এবং রাশিয়ার মতো দেশগুলির হামলা থেকে আমেরিকাকে রক্ষা করা।
হোয়াইট হাউস থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প প্রকাশ করেন যে তিনি প্রকল্পের জন্য চূড়ান্ত নকশা নির্বাচন করেছেন এবং এই উদ্যোগের প্রধান হিসেবে মার্কিন মহাকাশ বাহিনীর জেনারেল মাইকেল গুয়েটলিনকে নিযুক্ত করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, “আমরা গোল্ডেন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ঢাল সম্পর্কে একটি ঐতিহাসিক ঘোষণা করছি।’ রোনাল্ড রিগ্যান (৪০তম মার্কিন রাষ্ট্রপতি) বহু বছর আগে এটি তৈরি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর কাছে প্রযুক্তি ছিল না। এবার শীঘ্রই আমরা এটি পাব। আমার নির্বাচনী প্রচারণার সময়, আমি আমেরিকান জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে বিদেশী ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের হুমকি থেকে আমাদের দেশকে রক্ষা করার জন্য আমি একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ঢাল তৈরি করব, এবং আজ আমরা সেটাই করছি…।’
আরও পড়ুন:- দিনে মাত্র এত পা হাঁটলে ১৩ ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়, বলছে গবেষণা
‘গোল্ডেন ডোম আমেরিকাকে রক্ষা করবে’
ওভাল অফিসে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘গোল্ডেন ডোম আমাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করবে।’ তিনি আরও বলেন, কানাডা এতে অংশগ্রহণের আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির কার্যালয় এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।
‘গোল্ডেন আয়রন ডোম দ্বারা অনুপ্রাণিত’
গোল্ডেন ডোমকে আগত ক্ষেপণাস্ত্র সনাক্ত, ট্র্যাক এবং সম্ভাব্যভাবে বাধা দেওয়ার জন্য শত শত উপগ্রহের উপর নির্ভর করতে হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই পুরো ব্যবস্থাটি ইজরায়েলের আয়রন ডোম থেকে অনুপ্রাণিত। এটি ট্রাম্পের আরও বৃহত্তর একটি পরিকল্পনা। এর মধ্যে নজরদারি উপগ্রহ এবং উৎক্ষেপণের পরপরই ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে বাধাদানকারী উপগ্রহ উভয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই গুলি করে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্প
ট্রাম্প জানুয়ারিতে প্রকল্পটি শুরু করার জন্য একটি আদেশে স্বাক্ষর করেন। ট্রাম্প বলে, সমস্ত ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই গুলি করে ভেঙে ফেলা হবে এবং সাফল্যের হার প্রায় ১০০%।
আনুমানিক ব্যয় ১৭৫ বিলিয়ন ডলার, যার কারণে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে অনেক বছর সময় লাগবে। তবে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ২০২৯ সালের জানুয়ারির মধ্যে এই প্রকল্পটি শেষ করতে চান।













