কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীদের জন্য একটি বড় খবর সামনে এসেছে, যা বয়স্ক বাবা-মায়ের যত্ন সম্পর্কিত ছুটির বিষয়ে স্পষ্টতা প্রদান করেছে। অনেক সংবাদ মাধ্যমে এই খবরটি এমনভাবে পরিবেশন করা হয়েছে যেন এটি একটি নতুন ধরণের ছুটির ব্যবস্থা, কিন্তু আদতে এটি কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের জন্য উপলব্ধ ছুটির নিয়মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা মাত্র। চলুন, এই বিষয়টি বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।
আরও পড়ুন : কীভাবে ডাউনলোড করবেন ২০০২ সালের ভোটার তালিকা ? দেখে নিন
মূল বিষয়টি কী?
কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে সরকারী কর্মীরা তাদের বয়স্ক এবং অসুস্থ বাবা-মায়ের দেখাশোনা করার জন্য ছুটি নিতে পারবেন। কেন্দ্রীয় কর্মিবর্গ প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং রাজ্যসভায় একটি লিখিত প্রশ্নের উত্তরে এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। তবে, এটি কোনো নতুন ছুটি নয়। কর্মীরা তাদের বার্ষিক প্রাপ্য ‘আর্নড লিভ’ (Earned Leave) বা অর্জিত ছুটি থেকেই এই ৩০ দিন ব্যবহার করতে পারবেন।
অর্থাৎ, সরকার কর্মীদের তাদের ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক দায়বদ্ধতা পালনের গুরুত্ব স্বীকার করে নিয়েছে এবং স্পষ্ট করেছে যে বাবা-মায়ের অসুস্থতা বা তাদের দেখাশোনার মতো গুরুত্বপূর্ণ কারণেও অর্জিত ছুটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
ছুটির নিয়মাবলী:
সেন্ট্রাল সিভিল সার্ভিসেস (লিভ) রুলস, ১৯৭২ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীরা বিভিন্ন ধরণের ছুটি পেয়ে থাকেন। এই নিয়মগুলির অধীনেই বাবা-মায়ের যত্নের জন্য ছুটির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত।
- অর্জিত ছুটি (Earned Leave): প্রত্যেক কর্মী প্রতি বছর ৩০ দিনের অর্জিত ছুটি পান। এই ছুটি কর্মী নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো ব্যক্তিগত কারণে ব্যবহার করতে পারেন। বয়স্ক বাবা-মায়ের যত্নের জন্য এই ছুটি ব্যবহার করা যাবে বলে সরকার স্পষ্ট করেছে।
- হাফ-পে লিভ (Half-pay Leave): কর্মীরা প্রতি বছর ২০ দিনের হাফ-পে লিভ বা অর্ধ-বেতনের ছুটিও পেয়ে থাকেন।
- ক্যাজুয়াল লিভ (Casual Leave): আকস্মিক প্রয়োজনের জন্য বছরে ৮ দিন ক্যাজুয়াল লিভ পাওয়া যায়।
- রেস্ট্রিকটেড লিভ (Restricted Leave): এছাড়াও, বছরে ২ দিন রেস্ট্রিকটেড লিভ নেওয়ার সুযোগ থাকে।
কাদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়?
এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে এই ছুটির নিয়মাবলী সমস্ত কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মীদের জন্য প্রযোজ্য নয়। নির্দিষ্ট কিছু বিভাগের কর্মীদের জন্য আলাদা নিয়ম রয়েছে।














