Bangla News Dunia, Pallab : বর্তমানে চাকরির বিকল্প হিসেবে ব্যবসা নয় ব্যবসার বিকল্প হিসেবে চাকরি ধরা হয়ে থাকে। করোনা কালের পর থেকে কর্মী ছাঁটাই এর পর চাকরি উপর থেকে ভরসা উঠে যায় অনেকেরই। বর্তমান প্রজন্মের যুবক যুবতীদের ব্যবসা প্রতি বেশি ঝুঁকি দেখা যায়। কেননা চাকরির ক্ষেত্রে যেহেতু ও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজ করতে হয় যেখানে ব্যবসায় নিজের মনমর্জি কাজ করা সম্ভব। এছাড়াও চাকরির ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব, যেখানে ব্যবসার ক্ষেত্রে আয় করা সম্ভব অপরিসীম। তাই আজকে আপনার জন্য এমন কিছু ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে এসেছি যা খুব অল্প মাত্রায় বিনিয়োগ করলে ভালো লাভ করতে পারবেন।
আরও পড়ুন : মাসিক ঘরে বসে পাবেন 10,000 টাকা ! তাও আবার ভারত সরকারের অনুমোদনে
যেকোনো ব্যবসা শুরু করার আগে বেশ কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হয়। যদি এই কয়েকটি বিষয়ে মাথায় রেখে কোন ব্যবসা শুরু করা যায় তাহলে বাধাহীনভাবে ব্যবসায় সাফল্য অর্জন করা যায়। প্রথমত কোন ব্যবসা শুরু করতে গেলে ব্যবসার চাহিদা কিরকম তা যাচাই করে নিতে হবে। এরপর ওই ব্যবসা করতে কোন জায়গা সব থেকে উপযুক্ত তা ঠিক করে নিতে হবে। সবশেষে যে কোন ব্যবসা শুরু করতে গেলে তার মূলধন অনুযায়ী লাভের পরিমাণ কিরকম তা যাচাই করে নিতে হবে। উপরোক্ত তিনটি বিষয়ে যদি সঠিকভাবে নিয়ম মেনে করা হয় তাহলে ওই ব্যবসায় সাফল্য অতি বিলম্বে পাওয়া যায়।তা। ই আজকে বেকার যুবক যুবতীদের জন্য এমন কয়েকটি ব্যবসার খবর নিয়ে এসেছি যেখানে মাস গেলেই আপনি 40 থেকে 50 হাজার টাকা অনায়াসে কামাতে পারবেন। সবথেকে বড় কথা হল এই ব্যবসা যে কেউ শুরু করতে পারে এমন ভাবির সাথে এই ব্যবসার অগ্রগতি অনেক বেশি রয়েছে। অর্থাৎ আপনি একবার এই ব্যবসা শুরু করতে পারলে আজীবন পর্যন্ত আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই ব্যবসায় টিকে থাকতে পারবে।
বর্তমান যুগের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং লাভজনক ব্যবসা হল পোল্ট্রি ফার্ম ব্যবসা। এই ব্যবসা শুরু করতে পুঁজির পরিমাণ 40 থেকে 50 হাজার হলেই চলবে। তবে এক্ষেত্রে এই ব্যবসার শুরুর আগে ট্রেনিং নেওয়া ভালো। এই ব্যবসার মাধ্যমে পোল্ট্রি, ডিম বিক্রি করে ভালো লাভ করা যায়। এক্ষেত্রে কাস্টমার বাড়ি এসে এই সমস্ত সামগ্রী সংগ্রহ করে নিতে পারেন। এই ব্যবসা নিজের বাড়ি থেকে শুরু করা যায়। শহর কিংবা গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন বাজারে পাইকারি হারে মুরগি কিংবা ডিম বিক্রি করলে ভালো মুনাফা করা সম্ভব।
বর্তমান যুগে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা হল মোবাইল এর বিভিন্ন পার্টস কিংবা মোবাইল রিপেয়ারিং ব্যবসা। বর্তমান যুগে অতি প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম হলো মোবাইল ফোন। তাই কোটি কোটি মানুষের মধ্যেই মোবাইল ঠিক করা কিংবা বিভিন্ন পার্স ক্রয় করা স্বাভাবিক বিষয়। আর এই ব্যবসার ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ আরো উজ্জ্বল রয়েছি। এমন অবস্থায় যদি আপনি মোবাইলের বিভিন্ন পার্টস বিক্রি কিংবা মোবাইল রিপিয়ারিং এর ট্রেনিং নিয়ে মোবাইল ফোন ঠিক করার কাজ করতে পারেন তাহলে মাসে ভালো আয় করতে পারবেন।
ডিজিটাল যুগের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ দুটি কাজ হল বিভিন্ন ধরনের ভিডিও তৈরি করা কিংবা কনটেন্ট রাইটিং এর কাজ করা। বর্তমানে ডিজিটাল প্লাটফর্মে কাজ করে বহু মানুষ তাদের সংসার চালাচ্ছেন। ইউটিউব কিংবা ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও তৈরি করে অথবা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে কনটেন্ট লিখে ভালো আয় করা সম্ভব। এক্ষেত্রে আপনার কাছে একটি ভাল মোবাইল ফোন থাকলেই যথেষ্ট। আপনি যেকোনো ধরনের ভিডিও তৈরি করে এই কাজ শুরু করতে পারেন। এছাড়া যদি আপনি কন্টেন্ট রাইটিং বা লেখার কাজ খুঁজে থাকেন তাহলে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।














