আবেদন করলেই কি মিলবে স্কলারশিপ ? জেনে নিন OASIS স্কলারশিপের খুঁটিনাটি

By Bangla News Dunia Desk - Pallab

Published on:

ভারত সরকার এবং সামাজিক ন্যায় ও অধিকারিতা মন্ত্রকের একটি যৌথ প্রয়াস হল OASIS স্কলারশিপ, যা বিশেষভাবে তফসিলি জাতি (SC), তফসিলি উপজাতি (ST), এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণী (OBC)-এর শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এই স্কলারশিপের মূল উদ্দেশ্য হল আর্থিক প্রতিবন্ধকতার কারণে যাতে কোনো মেধাবী ছাত্রছাত্রীর পড়াশোনা মাঝপথে থেমে না যায়, তা নিশ্চিত করা। উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে যেতে ইচ্ছুক যোগ্য শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এই স্কলারশিপের মাধ্যমে, শিক্ষার্থীরা কেবল আর্থিক ভাবেই স্বাবলম্বী হয় না, বরং তাদের স্বপ্ন পূরণের পথে এক ধাপ এগিয়ে যায়।

আরও পড়ুন : সাবধান! স্মার্টফোন চার্জে দেওয়ার সময় এই ভুল করবেন না, ফোন Dead হয়ে যায়

স্কলারশিপের মূল উদ্দেশ্য

এই স্কলারশিপের প্রধান লক্ষ্য হল SC, ST, এবং OBC সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভাবে শক্তিশালী করা। অর্থের অভাবে অনেক সময় উজ্জ্বল ভবিষ্যত থাকা সত্ত্বেও ছাত্রছাত্রীরা তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে না। এই স্কলারশিপ সেই সকল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের পড়াশোনা শেষ করতে এবং একটি সুন্দর ক্যারিয়ার গড়তে সাহায্য করে।

কারা আবেদন করার যোগ্য?

এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে হলে কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। সেগুলো নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

  • নাগরিকত্ব: আবেদনকারীকে অবশ্যই ভারতের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে।
  • সংরক্ষিত শ্রেণী: আবেদনকারীকে অবশ্যই তফসিলি জাতি (SC), তফসিলি উপজাতি (ST), বা অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণী (OBC)-এর অন্তর্ভুক্ত হতে হবে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি সার্টিফিকেট থাকতে হবে।
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: প্রার্থীকে অবশ্যই একটি সরকারি স্বীকৃত স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত ছাত্র বা ছাত্রী হিসেবে পাঠরত থাকতে হবে। দূরশিক্ষা বা করেসপন্ডেন্স কোর্সের শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।
  • নম্বর ও আয়: পূর্ববর্তী ফাইনাল পরীক্ষায় আবেদনকারীকে ন্যূনতম ৬০% নম্বর পেতে হবে। এছাড়াও, পারিবারিক বার্ষিক আয় সরকারের নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকতে হবে।

আর্থিক সহায়তার পরিমাণ

এই স্কলারশিপের অধীনে শিক্ষার্থীদের কোর্সের স্তর অনুযায়ী বিভিন্ন পরিমাণে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। আর্থিক সহায়তার পরিমাণ নিম্নরূপ:

  • মাধ্যমিক স্তর: বার্ষিক ১২,০০০ টাকা।
  • উচ্চমাধ্যমিক স্তর: বার্ষিক ১৮,০০০ টাকা।
  • স্নাতক বা স্নাতকোত্তর স্তর: কোর্সের ওপর নির্ভর করে বার্ষিক ৪৫,০০০ টাকা থেকে ৪৮,০০০ টাকা পর্যন্ত।

Bangla News Dunia Desk - Pallab

মন্তব্য করুন