Bangla News Dunia, Pallab : শনিবার কলকাতার বিচার ভবনে ইডির বিশেষ আদালতে তোলা হল নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে। গ্রেপ্তারের পর থেকে ধৃত বিধায়ক ছিলেন ইডির হেপাজতে। এদিন আদালত চত্ত্বরে দেখা গিয়েছে তাঁর স্ত্রী টগরি সাহা এবং পুত্রকে। এজলাসের ভিতরে স্ত্রী ও পুত্রকে দেখে কেঁদে ফেললেন জীবন। জড়িয়ে ধরলেন পুত্রকেও। ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বড়ঞার বিধায়ককে জেল হেপাজতে পাঠিয়েছে আদালত।
গত ২৫ অগাস্ট এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে গ্রেপ্তার করে ইডি। মুর্শিদাবাদের কান্দির আন্দিতে গ্রামের বাড়ি থেকে বিধায়ককে গ্রেপ্তার করে ইডি। তাঁর ইডির হেপাজতের মেয়াদ শেষ হয়েছে শনিবার। সে কারণে বিচার ভবনে ইডির বিশেষ আদালতে হাজির করানো হয়েছিল তাঁকে। এদিন ফের আদালতে জীবনকে হেপাজতে নেওয়ার আর্জি জানান ইডির আইনজীবী ভাস্করপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়।
এইন আদালতে জীবনকৃষ্ণকে ‘থার্ড লাইন এজেন্ট’ বলে দাবি করেন জীবনের আইনজীবী জাকির হুসেন। তিনি সওয়াল করে জানান, নিয়োগ দুর্নীতিতে যারা ‘আসল’ যাঁরা, তাঁরা জামিন পেয়ে গিয়েছেন। জীবন আগেও তদন্তকারীদের সহযোগিতা করেছেন। দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর এদিন জীবনকৃষ্ণকে বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় ইডির বিশেষ আদালত। ফের তাঁকে আদালতে তোলা হবে ১২ সেপ্টেম্বর।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জীবনকে এর আগে গ্রেপ্তার করেছিল সিবিআই। সুপ্রিম কোর্টে তিনি জামিন পেয়েছিলেন। এ বার তাঁকে ইডি গ্রেপ্তার করেছে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সময়ে ৪৬ লক্ষের বেশি টাকা অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছেন জীবনকৃষ্ণ।














