দুর্গাপুরঃ দুর্গাপুরের বেসরকারি মেডিকেল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ডাক্তারি পড়ুয়া ধর্ষণকাণ্ডে তদন্ত চালাচ্ছে নিউটাউনশিপ থানার পুলিশ। দু’দফায় পুলিশ হেপাজত শেষ হওয়ায় বুধবার ধৃত ছয়জনের চারজনকে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। এদিন শেখ ফিরদৌস, অপু বাউরি, শেখ নাসিরউদ্দিন ও নির্যাতিতার সহপাঠী ওয়াসেফ আলিকে আদালতে হাজির করে পুলিস। এদিন ধৃত ছ’জনের তরফে তাদের আইনজীবীরা আদালতের কাছে জামিনের আবেদন করেছিলেন। সওয়াল-জবাব শেষে এদিন পেশ করা চারজন সহ মোট ৬ জনের জামিন নাকচ করে বিচারক আগামী ২৭ জুলাই পর্যন্ত জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অন্য দিকে এদিন পুলিশের তরফে এই মামলার আইও বা তদন্তকারী অফিসার জেলে গিয়ে সহপাঠী ওয়াসিফ আলি বাদ দিয়ে বাকি ৫ জনের টিআই প্যারেড করানোর জন্য বিচারকের কাছে আবেদন করেন। বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। তিনি নির্দেশ দেন, আগামী ২৪ জুলাই শুক্রবার এই টিআই প্যারেড করাতে হবে। সেই মতো সেদিন পুলিশ নির্যাতিতাকে জেলে নিয়ে গিয়ে ৫ জনের টিআই প্যারেড করাবে।
এদিকে, এদিন এই মামলার আইওর তরফে পিপি ধৃতদের মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট পরীক্ষা করানোর জন্য অনুমতি চান। বিচারক, তাও মঞ্জুর করেন। জানা গেছে, আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তা করা হবে।
অন্যদিকে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে আসা ওয়াসিফ আলির আইনজীবী প্রজ্ঞা দীপ্ত রায় বলেন, ‘এদিন আমার মক্কেলের জামিনের আবেদন করেছিলাম। তা নাকচ হয়েছে। আমরা আগেই বলেছি, আমার মক্কেলের সঙ্গে ঐ মেয়েটির ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। তারমধ্যেই সেদিন একটা ঘটনা ঘটে। যাতে সে জড়িয়ে যায়। তদন্ত কি হচ্ছে, পুলিশ আদালতে কি জমা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
প্রসঙ্গতঃ, ধৃতদের মোবাইল ফোন ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড়ে তদন্তকারী অফিসার ইতিমধ্যেই একাধিক ফরেনসিক ও ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন। সেই সবকিছু পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।














