
Union Budget 2026: কেন্দ্রীয় সরকার তার পরবর্তী ফিসকাল পলিসি বা আর্থিক নীতি অর্থাৎ Union Budget 2026 সংসদের টেবিলে পেশ করার জন্য জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এই বাজেট পেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এবারের বিশেষত্ব হলো, ১ ফেব্রুয়ারি তারিখটি পড়েছে রবিবার। সাধারণত ছুটির দিনে সংসদীয় কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও, বাজেটের গুরুত্ব বিবেচনা করে এখনো পর্যন্ত তারিখ পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত মেলেনি। অর্থ মন্ত্রক এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে দিনরাত এক করে কাজ করছে।
বাজেট পেশের সময়সূচি ও সরকারের পরিকল্পনা
সরকারি আধিকারিকদের সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, বাজেট প্রস্তুতির কাজ একেবারে সময়সূচি মেনেই এগোচ্ছে। প্রতিটি সরকারি দপ্তর তাদের নিজস্ব ডেটা এবং প্রস্তাবনাগুলি চূড়ান্ত করতে ব্যস্ত। সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য হলো ১ ফেব্রুয়ারি তারিখেই কোনো বাধা বিপত্তি ছাড়া বাজেট পেশ করা। রবিবার হওয়া সত্ত্বেও, সরকার এই নির্দিষ্ট দিনেই বাজেট উপস্থাপনের বিষয়ে এখনো পর্যন্ত অনড় রয়েছে। এই মুহূর্তে অর্থ মন্ত্রকের মূল ফোকাস হলো নির্ভুলভাবে এবং সময়ের মধ্যে সমস্ত নথিপত্র প্রস্তুত করা।
সংসদ অধিবেশন নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা
বাজেট কবে পেশ হবে তা মোটামুটি পরিষ্কার হলেও, বাজেট অধিবেশন বা Budget Session কবে শুরু হবে এবং কতদিন চলবে, সে বিষয়ে সরকার এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি। সংসদ অধিবেশনের দিনক্ষণ এবং সময়সীমার বিস্তারিত তথ্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেই জানা যাবে। দেশের আইনপ্রণেতা, ব্যবসায়ী মহল এবং বিনিয়োগকারীরা এই ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন, যাতে তাঁরা তাঁদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি সঠিক সময়ে নিতে পারেন।
অর্থ মন্ত্রকে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
বাজেট সংক্রান্ত নথিপত্র এবং প্রস্তাবনাগুলি চূড়ান্ত করার কাজ এখন অর্থ মন্ত্রকে তুঙ্গে। বিভিন্ন মন্ত্রক ও দপ্তরের পাঠানো তথ্য এবং পরামর্শগুলিকে একত্রিত করে বাজেটের খসড়া তৈরি করা হচ্ছে। সরকারের এই তৎপরতা শুধুমাত্র সংসদে সুষ্ঠু বিতর্ক নিশ্চিত করার জন্যই নয়, বরং বাজার এবং বিনিয়োগকারীদের কৌশল নির্ধারণে সহায়তা করার জন্যও অত্যন্ত জরুরি। একটি নির্দিষ্ট এবং সময়োপযোগী বাজেট পেশ দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার বার্তা বহন করে।
বাজেট তারিখের গুরুত্ব
কেন্দ্রীয় বাজেট শুধুমাত্র সরকারের জন্যই নয়, সাধারণ মানুষ, শিল্পপতি এবং বিনিয়োগকারীদের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইভেন্ট। বাজেটের তারিখ পরিবর্তন হলে তা দেশের অর্থনৈতিক এবং নীতি নির্ধারণী পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতি বিচার করে এটাই বোঝা যাচ্ছে যে, ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার হলেও নির্ধারিত সময়েই বাজেট পেশ হতে চলেছে।














