12th February Strike: ১২ ফেব্রুয়ারি বনধ: অফিস না এলে কাটা যাবে বেতন! কড়া নির্দেশিকা জারি নবান্নর

By Bangla News Dunia Desk - Pallab

Published on:

12th February Strike: আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) দেশজুড়ে বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘট বা বনধের প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার কড়া অবস্থান গ্রহণ করেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দপ্তর (অডিট ব্রাঞ্চ) থেকে জারি করা এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এই দিনটিতে রাজ্যের সমস্ত সরকারি অফিস খোলা থাকবে এবং কর্মচারীদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

বনধের দিন কী কী নিয়ম মানতে হবে?

রাজ্য সরকারের জারি করা মেমোরেন্ডাম অনুযায়ী, শুধুমাত্র সরকারি দপ্তরই নয়, রাজ্য সরকারের থেকে ‘গ্রান্ট-ইন-এইড’ প্রাপ্ত সমস্ত প্রতিষ্ঠানকেও এই দিন সচল রাখতে হবে। বিশেষ করে ছুটির বিষয়ে অত্যন্ত কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে:

  • কোনো ক্যাজুয়াল লিভ (CL) নয়: ১২ই ফেব্রুয়ারি কোনো কর্মচারীকে ক্যাজুয়াল লিভ বা অন্য কোনো ধরণের ছুটি দেওয়া হবে না।
  • অর্ধদিবস ছুটি বাতিল: দিনের প্রথমার্ধ বা দ্বিতীয়ার্ধ—কোনো সময়ের জন্যই ছুটির আবেদন গ্রাহ্য হবে না।

কাজে না এলে কী শাস্তি হতে পারে?

যদি কোনো কর্মচারী এই নির্দেশের পরেও ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুপস্থিত থাকেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, উপযুক্ত কারণ ছাড়া অনুপস্থিতিকে ‘ডায়েস-নন’ (dies-non) হিসেবে গণ্য করা হবে। এর অর্থ হলো, ওই দিনের জন্য কোনো বেতন বা ভাতা মিলবে না এবং এটি চাকরিতে ছেদ হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।

ছাড় পাবেন কারা?

নবান্নর এই কড়া নির্দেশিকা সত্ত্বেও বিশেষ কিছু মানবিক কারণে ছাড়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকলেও বেতন কাটার সম্ভাবনা নেই, যদি উপযুক্ত নথিপত্র পেশ করা যায়:

  1. কর্মচারী যদি হাসপাতালে ভর্তি থাকেন।
  2. পরিবারের কোনো সদস্যের বিয়োগ বা মৃত্যুজনিত কারণ।
  3. ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এর আগে থেকে শুরু হওয়া গুরুতর অসুস্থতা।
  4. যাঁরা ১১ই ফেব্রুয়ারির আগেই চাইল্ড কেয়ার লিভ (CCL), মাতৃত্বকালীন ছুটি, মেডিক্যাল লিভ বা আর্নড লিভ (EL) মঞ্জুর করিয়ে ছুটিতে আছেন।

পরবর্তী পদক্ষেপ

দপ্তর প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাঁরা ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুপস্থিত থাকবেন, তাঁদের শোকজ (Show-Cause) নোটিশ পাঠাতে হবে। যদি কেউ সন্তোষজনক উত্তর দিতে ব্যর্থ হন, তবে তাঁদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি আগামী ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এর মধ্যে সম্পন্ন করে অর্থ দপ্তরে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Bangla News Dunia Desk - Pallab

মন্তব্য করুন