রাজ্যজুড়ে জোরকদমে চলছে SIR (Special Intensive Revision) শুনানি প্রক্রিয়া। আজ বর্ধিত শুনানির শেষ দিন। তবুও এখনও প্রায় ৬.২৫ লক্ষ মানুষ শুনানির বাইরে। যার ফলে প্রশ্ন উঠছে শেষ দিনে কি এত বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি সম্ভব?
এর আগে প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছিল। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ৩৪ লক্ষ নাম ‘আনম্যাপড’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অর্থাৎ ভোটার তালিকায় উল্লেখিত তথ্যের সঙ্গে বাস্তব তথ্যের মিল পাওয়া যায়নি। এদের মধ্যে আনুমানিক ৩ লক্ষ মানুষ হয়তো ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন, অথবা ভুয়ো ভোটার এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
অন্যদিকে প্রায় ৩.২৫ লক্ষ মানুষের ক্ষেত্রে সঠিক নথি জমা না পড়া বা ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’-র অভিযোগে শুনানির নোটিশ জারি হয়েছে। আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি মূলত শুনানি প্রক্রিয়া শেষ হলেও এখনও ৬.২৫ লক্ষ মানুষের বিষয়টি অনিশ্চিত। এক দিনে এত সংখ্যক হিয়ারিং আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে হাজিরা না দিলে তাঁদের নাম আপাতত বাতিল বলেই গণ্য করা হবে। ইতিমধ্যেই প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার নামকে প্রাথমিকভাবে বাতিল ঘোষণা করেছে Election Commission of India (ইসিআই)। তবে আপলোড হওয়া নথিপত্রের পুনরায় যাচাই প্রক্রিয়া চলবে। গতকাল এক বৈঠকে জানা গেছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ইআরও যা সিদ্ধান্ত নেবে, সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হিসেবে ধরা হবে এবং তার পরেই প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।
যদিও ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিন। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ পাবে রাজ্য জুড়ে ফাইনাল তথা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।
উল্লেখ্য, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরদিনই রাজ্যে আসছে Election Commission of India-এর পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ। SIR-পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবে এরপরই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।
প্রতিবেদন: আনিসা জেবা














