হাইকোর্টের সময়সীমা মেনে চলার চূড়ান্ত তাগিদে আজ প্রকাশিত হলো নবম সাপ্লিমেন্টারি বা অতিরিক্ত ভোটার তালিকা। কমিশনের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যেই প্রায় ৫২ লক্ষ নামের আবেদনের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। আদালতের নির্দেশে ৭০০ জন জুডিশিয়াল অফিসারের তত্ত্বাবধানে যে নজিরবিহীন তৎপরতা শুরু হয়েছিল, তার ফলশ্রুতিতেই অবশিষ্ট ৮ লক্ষ আবেদনের যাচাই প্রক্রিয়াও এখন অন্তিম পর্যায়ে। জানা গেছে, কাজের এই গতি বজায় থাকলে আগামী ৪ দিনের মধ্যে অর্থাৎ ৭ এপ্রিলের ডেডলাইনের মধ্যেই সমস্ত বিবেচনাধীন মামলার নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর যে ৬০ লক্ষ আবেদন ঝুলে ছিল, তার সিংহভাগই এখন সমাধানের পথে। তবে এই বিপুল সংখ্যক নিষ্পত্তির পর কতজনের নাম শেষ পর্যন্ত তালিকায় উঠেছে আর কতজনের নাম বাদ পড়েছে, সেই পরিসংখ্যান নিয়ে এখনও গোপনীয়তা বজায় রেখেছে কমিশন। ইতিমধ্যে রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন বুথের মানুষের অভিযোগ অর্ধেকের বেশি সংখ্যক মানুষের নাম অন্যায় ভাবে ডিলেট করে দিয়েছে কমিশন।
নিয়ম মেনে এই তালিকায় যাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত হবে, তাঁরাই আসন্ন নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। পূর্বের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারের তালিকাটিও বুথভিত্তিক দুটি ভাগে প্রকাশ করা হচ্ছে—যেখানে একদিকে থাকবে নতুন অন্তর্ভুক্ত হওয়া নাম এবং অন্যদিকে থাকবে বাতিল হওয়া বা ‘ডিলিট’ হওয়া আবেদনকারীদের তালিকা। ভোটাররা কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে সহজেই নিজেদের বুথের তালিকা ডাউনলোড করে নামের বর্তমান স্থিতি যাচাই করে নিতে পারছেন। অন্যদিকে, যাঁদের আবেদন এই পর্যায়েও নাকচ হয়েছে, তাঁদের জন্য আইনি রক্ষাকবচ হিসেবে রাজ্যের ২৩টি জেলায় ১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নজরদারিতে বিশেষ আপিল ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে। জুডিশিয়াল অফিসারদের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে নাগরিকরা সরাসরি অনলাইন পোর্টালে আপিল করার সুযোগ পাচ্ছেন, যাতে কোনো প্রকৃত ভোটার তাঁর অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন।
পশ্চিমবঙ্গের নবম সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট ডাউনলোড জেলা ভিত্তিক














