উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক : রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নয়, আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পোস্টিং দিতে হবে অনিকেত মাহাতোকে, বুধবার এমনই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্ধারিত সময়ে নিয়োগপত্রও দিতে হবে রাজ্যকে।
আরজি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার পর ডাক্তারদের আন্দোলনের অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছিলেন অনিকেত। পরে তাঁকে ‘পোস্টিং’ দেওয়া হয় রায়গঞ্জে। আন্দোলনের আরও দুই মুখ দেবাশিস হালদারকে মালদার গাজোল এবং আসফাকুল্লা নাইয়াকে হুগলির আরামবাগে ‘পোস্টিং’ দেওয়া হয়। এনিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের ওই নির্দেশের বিরুদ্ধে তিনজনই আদালতের দ্বারস্থ হন। মে মাসে প্রথমে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন দেবাশিস এবং আসফাকুল্লা। পরে মামলা করেন অনিকেতও। বুধবার মামলার শুনানিতে অনিকেতকে রায়গঞ্জ মেডিকেলে পোস্টিংয়ের সিদ্ধান্ত খারিজ করে দেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। তিনি রায় দিয়েছেন, অনিকেতকে আরজি করেই পোস্টিং দিতে হবে। তবে বাকি দুজন চিকিৎসকের পোস্টিং নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি হাইকোর্ট।
অনিকেতের বক্তব্য ছিল, কোথায় নিয়োগ চান, নিয়ম মেনে কাউন্সেলিং প্রক্রিয়ায় তা সিনিয়র রেসিডেন্টদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তাঁরা সেটা জানিয়েছিলেন। কিন্তু তার পরেও শুধুমাত্র তাঁরা তিনজনই পছন্দের জায়গায় পোস্টিং পাননি। জুনিয়র ডাক্তারেরা প্রশ্ন তুলেছিলেন, পছন্দের জায়গায় যদি পোস্টিং না দেওয়া হয়, তবে কাউন্সেলিংয়ের মানে কী?
বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পোস্টিং হবে সেটি বেশিরভাগ চিকিৎসকের ক্ষেত্রে মানা হলেও অনিকেত সহ আরও এক চিকিৎসকের ক্ষেত্রে মানা হয়নি। এমনটা কেন হব, তার কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ দেখাতে পারেনি রাজ্য সরকার।














