কলকাতায় শিক্ষার্থীদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিল CGC University Scholarship. গত ১৫ই মার্চ শহরে আয়োজিত এক বিশেষ শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় CGC বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের নতুন একাধিক একাডেমিক প্রোগ্রাম, শিল্প-সহযোগিতাভিত্তিক পাঠক্রম এবং আকর্ষণীয় স্কলারশিপ প্রকল্পের কথা বলেন। এই অনুষ্ঠান ঘিরে শিক্ষক শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়।
CGC University Scholarship 2026 and Industry Learning Course Details
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত স্কলারশিপের সুযোগ রাখা হয়েছে। মূলত যেসব শিক্ষার্থী আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে উচ্চশিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ে, তাদের জন্য এই উদ্যোগ একটি বড় সহায়ক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানায়, শুধুমাত্র আর্থিক কারণে কোনও মেধাবী শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ থেমে থাকা উচিত নয়।


এদিনের অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল শিল্প-সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা। EY এবং IBM-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে তৈরি কোর্সগুলির কথা বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। এই প্রোগ্রামগুলিতে শিক্ষার্থীরা শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞানই নয়, বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে হাতে-কলমে কাজ শেখার সুযোগ পাবে। ফলে পড়াশোনা শেষ করার পর সরাসরি কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য তারা আরও প্রস্তুত হয়ে উঠবে।
CGC University এর প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমান যুগে শুধুমাত্র বইভিত্তিক শিক্ষা যথেষ্ট নয়। শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। এই ‘হ্যান্ডস-অন লার্নিং’ পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে এবং তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগও বহুগুণ বৃদ্ধি করবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষাবিদ ও অতিথিরাও এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। তাদের মতে, এই ধরনের স্কলারশিপ ও শিল্পভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা ভবিষ্যতের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও বাস্তবমুখী করে তুলবে। একই সঙ্গে সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশের ছাত্র-ছাত্রীরাও নিজেদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাবে।
আরও স্কলারশিপ সম্মন্ধে জানতে এখানে ক্লিক করুন।
সব মিলিয়ে, কলকাতার এই অনুষ্ঠানটি শুধু একটি প্রচারমূলক কার্যক্রম নয়, বরং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সূচনা বলেই মনে করছেন অনেকে














