Krishak Bandhu Payment: কৃষকবন্ধুর টাকা ঢুকতে শুরু করেছে ব্যাঙ্কে! পেমেন্ট স্ট্যাটাস ও টাকার অঙ্ক নিয়ে বড় আপডেট

By Bangla News Dunia Desk - Pallab

Published on:

Krishak Bandhu Payment: পশ্চিমবঙ্গের লক্ষাধিক কৃষকের জন্য অত্যন্ত খুশির খবর। রাজ্য সরকারের অন্যতম জনপ্রিয় জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ‘কৃষকবন্ধু’-র (Krishak Bandhu) রবি সিজনের টাকা সরাসরি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হতে শুরু করেছে। গত ৮ই জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজ্যের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থ প্রদান প্রক্রিয়ার সূচনা করেছিলেন। সেই ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ধাপে ধাপে টাকা ঢোকার প্রক্রিয়া চলছে।

গতকাল, ৯ই জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একাধিক জেলার কৃষকদের অ্যাকাউন্টে এই সহায়তার অর্থ জমা পড়ার খবর পাওয়া গেছে। মূলত রবি শস্য চাষের মরসুমে কৃষকদের আর্থিক ভাবে সাহায্য করার উদ্দেশ্যেই সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে।

টাকা ঢোকার প্রমাণ ও ব্যাঙ্ক ট্রানজাকশন

অনেক উপভোক্তা ইতিমধ্যেই তাদের মোবাইলে টাকা জমা হওয়ার এসএমএস (SMS) পেয়েছেন। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI), পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক (PNB)-সহ বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ও গ্রামীণ ব্যাঙ্কে এই টাকা ক্রেডিট হচ্ছে। আপনার অ্যাকাউন্টে আসা টাকাটি কৃষকবন্ধু প্রকল্পের কি না, তা বোঝার জন্য ব্যাঙ্কের পাসবুক বা ট্রানজাকশন হিস্ট্রি চেক করতে পারেন।

সাধারণত এই টাকা জমা হলে ট্রানজাকশন ন্যারেশনে বা বিবরণে নির্দিষ্ট কিছু কোড বা শব্দ উল্লেখ থাকে। যেমন:

  • WBSC
  • WBKB (West Bengal Krishak Bandhu)
  • R (Rabi Season বা রবি মরসুমের নির্দেশক)

এই ধরণের ইঙ্গিত থাকলে নিশ্চিত হতে পারেন যে এটি রাজ্য সরকারের কৃষি দপ্তরের পাঠানো টাকাই।

জমির পরিমাণ অনুযায়ী টাকার অঙ্ক

কৃষকবন্ধু প্রকল্পে সকল কৃষক সমান টাকা পান না। মূলত চাষযোগ্য জমির পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে এই অনুদান নির্ধারণ করা হয়। রাজ্য সরকারের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী টাকার হার নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

জমির ধরণ ও পরিমাণ প্রাপ্য টাকার পরিমাণ (কিস্তি প্রতি)
সর্বনিম্ন জমি (অল্প পরিমাণ) ২,০০০ টাকা
মাঝারি জমি (৪১ – ৯৯ ডেসিমেল) জমির অনুপাতে নির্ধারিত (যেমন ২,৯৫০ টাকা)
সর্বোচ্চ জমি (১ একর বা তার বেশি) ৫,০০০ টাকা

অর্থাৎ, যাদের জমি খুব কম তারা ন্যূনতম ২০০০ টাকা পাবেন এবং যাদের জমি ১ একরের বেশি তারা সর্বোচ্চ ৫০০০ টাকা এক কিস্তিতে পাবেন। এর মধ্যবর্তী জমির মালিকরা আনুপাতিক হারে টাকা পাবেন।

টাকা না ঢুকলে কী করবেন?

অনেকেই হয়তো লক্ষ্য করেছেন যে পাশের বাড়ির বা গ্রামের অন্য কৃষকের টাকা ঢুকে গেলেও আপনার অ্যাকাউন্টে এখনো টাকা আসেনি। এতে আতঙ্কিত বা হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। পিএম কিষান বা অন্যান্য সরকারি প্রকল্পের মতোই কৃষকবন্ধুর টাকাও ‘লট’ (Lot) বা ধাপে ধাপে ছাড়া হয়।

এখানে ক্লিক করে দেখুন কিভাবে স্ট্যাটাস চেক করবেন।

সমস্ত উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে একই দিনে টাকা জমা হয় না। ব্যাঙ্কিং সার্ভার এবং জেলাভিত্তিক বন্টন প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে এই টাকা ঢুকতে ১ থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কারো টাকা ২ দিনে, আবার কারো টাকা ১০-১৫ দিন পরেও ঢুকতে পারে। তাই আপনার স্ট্যাটাস যদি ঠিক থাকে, তবে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন; খুব শীঘ্রই আপনার প্রাপ্য অর্থ আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে চলে আসবে।

Bangla News Dunia Desk - Pallab

মন্তব্য করুন