SSC-র ২০১৬ সালের ২৬ হাজার চাকরি বাতিল, রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট

By Bangla News Dunia Desk Bappaditya

Published on:

Bangla News Dunia, বাপ্পাদিত্য:- ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল খারিজ সুপ্রিম কোর্টের। স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক, শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল মামলায় রায়দানের দিকে তাকিয়ে ছিল গোটা রাজ্য। যোগ্য অযোগ্যর জট কাটিয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC ) ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা, অশিক্ষক কর্মীর ভবিষ্যৎ কী, তা নির্ধারিত হল আজ।  প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ চাকরি বাতিল মামলার রায় ঘোষণা করলেন।

চূ়ড়ান্ত রায়দান
চাকরি বাতিল মামলার শুনানিতে এদিনই চূড়ান্ত রায়দান করলেন  প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ। এই মামলার রায়ের উপর প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক, শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীর ভবিষ্যত নির্ভর করছিল।  প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ জানিয়ে দিল, পুরো প্যানেল বাতিল করা হল। অর্থাৎ কলকাতা হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল তাই বহাল রাখল সর্বোচ্চ আদালত। গত ফেব্রুয়ারি মাসে এই মামলার শুনানি শেষ করে রায় স্থগিত রেখেছিল শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার সেই রায় দিয়েই চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ কার্যত নির্ধারণ করে দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

আরও পড়ুন:- বিরাট সুখবর! রাজ্যে ৮২৫৬ শূন্যপদে কর্মী নিয়োগের ঘোষণা। আবেদন চলছে অনলাইনে

কলকাতা হাইকোর্টের রায়
গত বছর এপ্রিল মাসে এসএসসির নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রায়দান করে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ সব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল। গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশের গোটা প্যানেলই বাতিল করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। এই নির্দেশের বাস্তবায়ন মানে ২৫ হাজার ৭৫৩ জন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হওয়া। হাইকোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও চাকরিহারাদের একাংশও যান দেশের সর্বোচ্চ আদালতে।

চাকরি বাতিলের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল
চাকরি বাতিলের মামলাটি শুনেছিল সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের ডিভিশন বেঞ্চ। ওই বেঞ্চ চাকরি বাতিলের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দেয়। এদিন ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগের পুরো প্যানেল বাতিল করেছে  সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত বলে , পুরো প্রক্রিয়ায় কারচুপি করা হয়েছে। ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ার কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। সেই সঙ্গে রাজ্যের ২৬ হাজার চাকরি বাতিল করে প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ জানিয়েছে, তিন মাসের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।

আজকের রায়
ঘোষিত রায়ে বলা হয়েছে, যোগ্য অযোগ্য বাছাই করা সম্ভব হয়নি। ২০১৬ সালের এসএসসিতে যাঁরা চাকরি করছিলেন তাঁরা নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্যতা পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবে বলেও জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।

আরও পড়ুন:- চোখের পলকেই পেট্রোল পাম্পে এভাবেই বোকা বানানো হয়, কিভাবে কারচুপি ধরবেন? জানুন

Bangla News Dunia Desk Bappaditya

মন্তব্য করুন