উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কলকাতার রাজনৈতিক পারদ ঊর্ধ্বমুখী। বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই কোমর বেঁধে ময়দানে নামলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নিজের পুরোনো কেন্দ্র নন্দীগ্রামের পাশাপাশি এবার তিনি প্রার্থী হয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীর গড় হিসেবে পরিচিত ভবানীপুরে। এদিন ভবানীপুরের ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির নির্বাচনি কার্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের মাধ্যমেই প্রচারের রণকৌশল স্থির করেন তিনি।
ভবানীপুরে শুভেন্দুর ‘ডোর-টু-ডোর’ প্রচার ও উত্তেজনা
বৈঠক শেষ হতেই শুভেন্দু অধিকারীকে দেখা যায় একেবারে জনসংযোগের মেজাজে। দেওয়াল লিখনের পাশাপাশি ভবানীপুরের আশুতোষ মুখোপাধ্যায় রোডে র্যালিতে অংশ নেন তিনি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে এবং দোকানে দোকানে ঢুকে হাত নাড়িয়ে প্রচার সারেন শুভেন্দু। তবে বিরোধী দলনেতার এই প্রচার ঘিরেই রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা।
শুভেন্দু যখন প্রচার চালাচ্ছেন, ঠিক তখনই পালটা তেড়ে আসেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। শুরু হয় স্লোগান-পালটা স্লোগান। শুভেন্দুর সামনেই তৃণমূল কর্মীরা ‘জয় বাংলা’ ধ্বনি দিতে থাকেন। শুরুতেই এই সংঘাত বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, ভবানীপুরের দখল নিতে দু-পক্ষই এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ।
আইনি লড়াই
মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগেই অবশ্য কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে মোট কতগুলি মামলা ঝুলছে, সেই তথ্য দিচ্ছে না পুলিশ।
অন্যদিকে, নন্দীগ্রামেও পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নিয়েছে। শুভেন্দুর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ নেতা হিসেবে পরিচিত পবিত্র কর এবং তাঁর স্ত্রী শিউলি কর তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দুর গড়ে শুভেন্দুরই প্রাক্তন সেনাপতিকে প্রার্থী করে বড় চমক দিল শাসক দল।














