TET Mandatory Case: সুপ্রিম কোর্টে টেট মামলার বড় আপডেট! স্বস্তি পেতে চলেছেন লক্ষাধিক শিক্ষক?

By Bangla News Dunia Desk - Pallab

Published on:

TET Mandatory Case: পাঁচ বছরের বেশি চাকরি রয়েছে, অথচ ‘টেট’ (TET) উত্তীর্ণ নন, এমন শিক্ষকদের জন্য গত ১ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের একটি নির্দেশিকা চরম উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছিল, এই অভিজ্ঞ শিক্ষকদেরও বাধ্যতামূলকভাবে টেট পরীক্ষায় বসতে হবে। তবে এই নির্দেশিকার পর দেশজুড়ে একাধিক শিক্ষক সংগঠন এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে যে রিভিউ পিটিশনগুলি দায়ের করা হয়েছে, তা থেকে একটি নতুন আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

আইনি প্রক্রিয়ায় বড়সড় পরিবর্তন এবং প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ

সাধারণত যে বিচারপতি মূল রায় প্রদান করেন, তাঁর বেঞ্চেই রিভিউ পিটিশন বা পুনর্বিবেচনার আর্জি শোনা হয়। তবে এক্ষেত্রে শিক্ষক মহলের প্রবল দাবি ছিল বেঞ্চ পরিবর্তনের। বর্তমানে এই আইনি প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে:

  • আবেদন একত্রীকরণ: সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া সমস্ত পুনর্বিবেচনার আবেদনগুলিকে একত্রিত করার কাজ চলছে।
  • নতুন বেঞ্চের সম্ভাবনা: সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এই মামলাটি সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে স্থানান্তরিত হওয়ার এক উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
  • শুনানির সময়কাল: আগামী এপ্রিল মাসেই এই সংক্রান্ত শুনানি শুরু হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

রুদ্ধদ্বার কক্ষের বদলে প্রকাশ্য শুনানির আশা

আইনি নিয়মানুসারে, রিভিউ পিটিশনগুলির বিচার প্রক্রিয়া সাধারণত বিচারপতির নিজস্ব চেম্বারে বা রুদ্ধদ্বার কক্ষে সম্পন্ন হয়। কিন্তু টেট সংক্রান্ত এই স্পর্শকাতর মামলার ক্ষেত্রে ‘ওপেন হেয়ারিং’ বা এজলাসে প্রকাশ্য মৌখিক শুনানির জোরালো ইঙ্গিত মিলেছে। শিক্ষকদের অধিকার রক্ষার্থে দেশের প্রথম সারির স্বনামধন্য আইনজীবীরা সওয়াল করবেন। অভিষেক মনু সিংভি এবং মুকুল রোহতগীর মতো শীর্ষ আইনজীবীদের উপস্থিতি এই আইনি লড়াইকে এক অন্য মাত্রা দিতে চলেছে।

ত্রিপুরা মামলা এবং চূড়ান্ত ফয়সালার সময়সীমা

বর্তমানে মাননীয় জাস্টিস দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চে ত্রিপুরার সজল দেবের একটি মামলার বিচারপ্রক্রিয়া চলছে। এই নির্দিষ্ট মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ১৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে। বিচারপতি দত্ত স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, মূল মামলার প্রেক্ষিতে আসা প্রতিটি রিভিউ পিটিশন অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে শোনা হবে। সমস্ত আর্জির সম্পূর্ণ শুনানি শেষ হওয়ার পরেই আদালত একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হবে।

পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের পাঁচটি রাজ্যে যখন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি তুঙ্গে, সেই আবহে শিক্ষকদের এই আইনি সংগ্রাম অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। শীর্ষ আইনজীবীদের অংশগ্রহণ এবং প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে শুনানির সম্ভাবনা হাজার হাজার কর্মরত শিক্ষকের মনে স্বস্তি ও ন্যায়বিচারের আশা জাগিয়ে তুলছে।

Bangla News Dunia Desk - Pallab

মন্তব্য করুন